শনিবার রাজ্যজুড়ে একযোগে শুরু হল বিজেপির ‘পরিবর্তন যাত্রা’ (Parivartan Yatra)। এই কর্মসূচিতে অংশ নিতে বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে উপস্থিত হয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও দলের শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্ব।

বিজেপির পরিবর্তন যাত্রা শুরু
শেষ আপডেট: 1 March 2026 13:28
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনকে (West Bengal Assembly Election 2026) পাখির চোখ করে জোরকদমে প্রচারে নেমে পড়ল ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP)। শনিবার রাজ্যজুড়ে একযোগে শুরু হল বিজেপির ‘পরিবর্তন যাত্রা’ (Parivartan Yatra)। এই কর্মসূচিতে অংশ নিতে বাংলার বিভিন্ন প্রান্তে উপস্থিত হয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও দলের শীর্ষস্থানীয় নেতৃত্ব।
গড়বেতা ও ঝাড়গ্রামে প্রধান-শুভেন্দু জুটি
বিজেপির এই রথযাত্রার সূচনা করতে গড়বেতা এবং ঝাড়গ্রামে উপস্থিত হয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান (Dharmendra Pradhan) এবং রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। জঙ্গলমহলে দলের ভিত মজবুত করতে তাঁদের এই উপস্থিতি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
কোচবিহারের রাসমেলা ময়দানে নীতিন নবীন
কোচবিহারের রাসমেলা ময়দান থেকে পরিবর্তন যাত্রার সূচনা করেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন। সেখানে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya) এবং প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক (Nishith Pramanik)।
কৃষ্ণনগর ও নবদ্বীপে নাড্ডা-সুকান্ত
কৃষ্ণনগরের নবদ্বীপে বিজেপির কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা প্রাক্তন সর্বভারতীয় সভাপতি জগৎপ্রকাশ নাড্ডা (JP Nadda) এই যাত্রায় নেতৃত্ব দেন। তাঁর সঙ্গে ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumder) এবং দলের প্রাক্তন কেন্দ্রীয় সম্পাদক রাহুল সিনহা (Rahul Sinha)।
কুলটিতে অন্নপূর্ণা দেবী ও স্মৃতি ইরানি
কুলটিতে পরিবর্তন যাত্রার আসরে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অন্নপূর্ণা দেবী (Annapurna Devi), প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি (Smriti Irani) এবং দলের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)।
আগামিকাল অর্থাৎ ২ মার্চ উত্তর দিনাজপুরে থাকছেন নিতিন নবীন এবং দিলীপ ঘোষ। মথুরাপুরে থাকবেন অমিত শাহ (Amit Shah), সুকান্ত মজুমদার। আমতাতে থাকছেন রাজনাথ সিং (Rajnath Sigh), শমীক ভট্টাচার্য। সন্দেশখালিতে থাকবেন শিবরাজ সিং চৌহান, শুভেন্দু অধিকারী, শান্তনু ঠাকুর, লকেট চট্টোপাধ্যায়। আর হাসনে থাকছেন দেবেন্দ্র ফড়নবীশ, মিঠুন চক্রবর্তী।
বিজেপির লক্ষ্য, প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্য দিয়ে এই যাত্রাকে নিয়ে যাওয়া। কর্মসূচির আওতায় থাকবে ৬০টি বড় জনসভা এবং আনুমানিক ৩০০টি ছোট সভা। বৃহত্তর কলকাতার ২৯টি বিধানসভা এলাকায় আলাদা করে ট্যাবলো বের করার কথাও ঘোষণা করা হয়েছে।
কলকাতা হাইকোর্ট (Kolkata High Court) শুক্রবারের নির্দেশে জানিয়েছে, যাত্রায় একসঙ্গে এক হাজারের বেশি মানুষের জমায়েত করা যাবে না। ১ মার্চ থেকে ৬ মার্চের মধ্যে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই অনুষ্ঠান সম্পন্ন করতে হবে। শব্দবিধি সংক্রান্ত সমস্ত আইন কঠোরভাবে মানার কথাও জানানো হয়েছে।