তবে এই প্রথম নয়, অতীতেও একাধিক বিতর্কে জড়িয়েছেন রাকেশ। পর্যবেক্ষকদের অনেকের মতে, বিতর্ক আর রাকেশ সিং যেন সমার্থক শব্দ।
_0.jpeg.webp)
রাকেশ সিং।
শেষ আপডেট: 3 September 2025 16:36
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কংগ্রেস অফিস ভাঙচুরের ঘটনায় বিজেপি নেতা রাকেশ সিংয়ের (BJP leader Rakesh Sing) জামিন নাকচ করে দিল শিয়ালদহ আদালত। আগামী ৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত রাকেশকে পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দিলেন বিচারক (police custody till September 8, bail denied)।
এদিন দুপুরে রাকেশকে আদালতে নিয়ে আসার সময় সেখানে উপস্থিত বিজেপি এবং কংগ্রেস কর্মীদের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা তৈরি হয়। তবে বিশাল সংখ্যক পুলিশ আদালত চত্বরে আগে থেকেই উপস্থিত থাকায় অপ্রীতিকর কোনও ঘটনা ঘটেনি।
মঙ্গলবার গভীর রাতে কলকাতার ট্যাংরা এলাকা থেকে রাকেশকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, গত শুক্রবার সকালে কংগ্রেসের সদর দফতরে হামলা চালায় রাকেশ সিংয়ের অনুগামীরা। অভিযোগ, রাকেশ নিজেও ওই দলে ছিলেন। ঘটনাস্থলে কোনও শীর্ষ কংগ্রেস নেতা না থাকলেও ভাঙচুরে লণ্ডভণ্ড হয় অফিস। ওই ঘটনার পর থেকেই ফেরার ছিলেন রাকেশ। যদিও সামাজিক মাধ্যমে সক্রিয় থেকে তিনি পুলিশের বিরুদ্ধে ‘পরিবারকে হয়রানি’র অভিযোগ তোলেন। এমনকি ছেলে শিবম সিংয়ের গ্রেফতারির প্রতিবাদে কলকাতা পুলিশ কমিশনারকে প্রকাশ্যে হুমকি দেন তিনি।
এর আগে এই ঘটনায় চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন রাকেশের ছেলে শিবম সিং, বিজয়প্রসাদ ধানুক, সন্তোষকুমার রাজভর এবং দিব্যেন্দু সামন্ত। তদন্তকারীদের দাবি, সকলে সরাসরি ভাঙচুরে অংশ নিয়েছিলেন।
তবে এই প্রথম নয়, অতীতেও একাধিক বিতর্কে জড়িয়েছেন রাকেশ। পর্যবেক্ষকদের অনেকের মতে, বিতর্ক আর রাকেশ সিং যেন সমার্থক শব্দ। ২০১৯ সালে কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন তিনি। তার পর থেকেই বারবার নানা মামলায় নাম জড়িয়েছে।
২০২১ সালের বিধানসভা ভোটের আগে পামেলা গোস্বামী মাদককাণ্ডেও গ্রেফতার হয়েছিলেন তিনি। প্রায় ন’মাস জেল হেফাজতের পর জামিন পান। বন্দর এলাকার ‘ডাকাবুকো’ নেতা হিসেবে পরিচিত রাকেশের বিরুদ্ধে এখনও পর্যন্ত পঞ্চাশেরও বেশি ফৌজদারি মামলা (Fifty Criminal Case) রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর। চিড়িয়াখানায় দাদাগিরি থেকে শুরু করে রয়েছে একাধিক অভিযোগ।