
শেষ আপডেট: 16 November 2022 08:57
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গুজরাতে ক্ষমতায় ফিরতে পারলে বিলকিস বানো মামলায় মুক্ত ১১ আসামিকে ফের জেলে পাঠাবে কংগ্রেস (Bilkis Killers will be in jail)। বিধানসভার ভোটের প্রচারে এই বিষয়টি ফলাও করে প্রচার করা শুরু করেছে গুজরাত কংগ্রেস (Congress)।
দলীয় সূত্রের খবর, আসাউদ্দিন ওয়েইসির এআইএমআইএমের থাবা থেকে মুসলিম ভোট রক্ষা করতেই বিলকিস নিয়ে জোরদার প্রচারে নামছে হাত চিহ্নের প্রার্থীরা।
গত অগস্টে গুজরাতের বিজেপি (BJP) সরকার ওই আসামিদের মুক্তি দেওয়ার পর কংগ্রেস রুটিন প্রতিক্রিয়া দিয়েছিল। জোরালো প্রতিবাদের পথে যায়নি।
কিন্তু ভোট এগিয়ে আসতে নির্বাচনী সমীকরণ নিয়ে নতুন করে ভাবনাচিন্তা শুরু করতে হচ্ছে কংগ্রেসকে। একদিকে, আপ কংগ্রেসের ভোটে থাবা বসাচ্ছে বলে জানিয়েছে সব ক'টি প্রাক নির্বাচনী সমীক্ষা। কংগ্রেসের নিজের সমীক্ষার ফলও সেই আভাস দিয়েছে।
হালের সমীক্ষায় উঠে এসেছে, কংগ্রেসের মুসলিম ভোটে থাবা বসাচ্ছে ওয়েইসির দল। গুজরাতের ১০ শতাংশ মুসলিম ভোটের ৯০ ভাগ এতকাল কংগ্রেস পেয়ে এসেছে।
বিলকিসের ধর্ষকদের মুক্তির বিষয়ে গোড়ায় কংগ্রেস শিবির দ্বিধাবিভক্ত ছিল। কঠোর অবস্থান নিলে হিন্দু ভোট হারানোর ভয়ে মেপে পা ফেলছিল তারা। কিন্তু মুসলিম ভোটের অনেকটাই আপ এবং এআইএমআইএমের দিকে যাচ্ছে বুঝতে পেরে বিলকিস ইস্যু জাপটে ধরেছে তারা। মুসলিম ভোটের ভাগাভাগি আটকাতেই এই কৌশল। গুজরাত কংগ্রেসকে এই পথে টেনে আনতে বিশেষ ভূমিকা নিয়েছেন প্রদেশ কংগ্রেসের কার্যনির্বাহী সভাপতি জিগনেশ মেবানি।
২০০২ সালে গুজরাতে দাঙ্গা চলাকালে বিলকিস বানোকে গণধর্ষণ এবং তাঁর পরিবারের ১৪ জনকে খুন করা হয়। ওই ঘটনায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্তদের এ বছর ১৫ অগস্ট মুক্তি দিয়েছে গুজরাতের বিজেপি সরকার।
কিন্তু নির্বাচনী প্রচারে বিষয়টি এতদিন তেমন গুরুত্ব পায়নি। বিজেপি ও আপ ওই বিষয় মুখেও আনছে না। সেভাবে মুখর হয়নি কংগ্রেসও। এখন পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করেছে। কংগ্রেসের নির্বাচনী ইস্তেহারে বিষয়টির উল্লেখ থাকলেও সেভাবে এই ব্যাপারে এতদিন প্রচার চালায়নি কংগ্রেস।
জিগনেশ মেবানি যেভাবে গোড়া থেকে ইস্যুটি তুলেছিলেন তাতে মুসলমানদের মধ্যে এমন একটি অনুভূতি তৈরি হয়েছিল যে তাদের পাশে একটি দল অন্তত আছে। কিন্তু দলগতভাবে কংগ্রেস এই ব্যাপারে পথে না নামায় মুসলিমরা দ্বিধাবিভক্ত বলে জানা গিয়েছে।
চাকরিপ্রার্থীদের বিক্ষোভে ফের উত্তাল রাজপথ! কালীঘাটে ‘পুলিশি জুলুমের’ অভিযোগ