
শেষ আপডেট: 1 November 2022 12:42
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গায়ে জড়ানো লাল চাদর। মাথাও ঢাকা রয়েছে তা দিয়েই। সাজগোজ করে খালি বাসন বাজিয়ে ক্যামেরার সামনে পোজ দিয়ে বলিউডের বিখ্যাত গান 'জিমি জিমি, আজা আজা'তে (jimmy, jimmy) ঠোঁট মেলাচ্ছেন চিনা মহিলা। বিদেশি মহিলার মুখে বলিউডের গান, ব্যাপারটা কী!
দীর্ঘ দু'বছর পর ভারত-সহ বিশ্বের একাধিক দেশ থেকেই করোনা অতিমহামারী একপ্রকার বিদায় নিয়েই বলা চলে। কিন্তু যে দেশ থেকে ছড়িয়ে পড়ছিল মারণ ভাইরাস, সেই চিনেই (China) এখনও করোনার প্রভাবমুক্ত হয়নি। অতিমহামারীর ছড়িয়ে পড়া আটকাতে এখনও সেখানে জারি রয়েছে কঠোর লকডাউন (Covid Lockdown), যার কারণে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন সেদেশের সাধারণ মানুষজন। দোকানপাট বন্ধ থাকায় নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস তো বটেই, এমনকী, অনেকের বাড়িতেই রান্নার চালও বাড়ন্ত! ন্যূনতম ভাতটুকুও জুটছে না বহু ক্ষেত্রেই।
এই অবস্থায় প্রতিবাদের হাতিয়ার হয়ে উঠেছে বলিউডের জনপ্রিয় গান 'জিমি জিমি, আজা আজা।' ১৯৮২ সালে 'ডিস্কো ড্যান্সার' ছবিতে বাপ্পি লাহিড়ীর (Bappi Lahiri) সুরে গানটি গেয়েছিলেন পার্বতী খান। ভাতের খালি হাঁড়ি দেখিয়ে লকডাউনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে ক্যামেরার সামনে এসে সেই গানই গাইছেন চিনা মহিলারা, তবে একটু অন্যভাবে। আসলে ম্যান্ডারিন ভাষায় জি মি শব্দবন্ধের মানে 'ভাত দাও।' দোকানপাট বন্ধ থাকায় যে ভাতটুকুও জোগাড় করতে হিমশিম খেতে হচ্ছে, তা বোঝাতে ফাঁকা বাসন দেখিয়ে ব্যাঙ্গের সুরে 'জি মি, জি মি' গেয়ে চিনা সোশ্যাল মিডিয়া ডোউইন(টিকটকের চিনা নাম)-এ আপলোড করছেন সেদেশের মহিলারা।
https://twitter.com/durgeshdwivedi/status/1587071472606269442?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E1587071512116617216%7Ctwgr%5E4e499845b5a86bcc4b1565ab6c4e76da3d95af03%7Ctwcon%5Es2_&ref_url=https%3A%2F%2Fwww.ndtv.com%2Fworld-news%2Fbappi-lahiris-jimmy-jimmy-new-anthem-in-china-to-protest-covid-lockdowns-3478244
চিনে এখনও জারি রয়েছে জিরো-কোভিড পলিসি, যার কারণে দেশের অজস্র শহরে এখনও চলছে লকডাউন। নিজের ফ্ল্যাটেই বন্দি হয়ে রয়েছেন লক্ষ লক্ষ মানুষ। ইতিমধ্যেই এই সুদীর্ঘ লকডাউনের প্রতিবাদ শুরু হয়েছে সে দেশে। ইতিমধ্যেই বেশ কিছু ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে নেটমাধ্যমে, যেখানে প্রতিবাদীদের ছত্রভঙ্গ করতে দেখা যাচ্ছে চিনা নিরাপত্তারক্ষীদের।
জিরো-কোভিড পলিসি অনুযায়ী কোনও এলাকায় একজন বাসিন্দাও যদি অতিমহামারীতে আক্রান্ত বলে জানা যায়, তাহলে শহর জুড়ে লকডাউন চালু করা হচ্ছে। এলাকার সমস্ত মানুষকে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হচ্ছে। শুধু তাই নয়, এখনও চিনে বাজার, রেস্তোরাঁ সহ যে কোনও প্রকাশ্য স্থানে প্রবেশের জন্য কোভিড নেগেটিভ রিপোর্ট বাধ্যতামূলক।
অন্ধ কুকুর চাকরি খেল বিদেশি কূটনীতিকের! এক বছর আগে হেনস্থা করেছিলেন দিল্লির অধ্যাপিকাকে