সবিআইয়ের চুঁচুড়া খাদিনামোড় ব্রাঞ্চের ক্লার্ক ছিলেন সৌমেন দে। থাকতেন চন্দননগর রথের সড়কের একটি অভিজাত বহুতলের আটতলায়। তাঁর পৈতৃক বাড়ি চন্দননগর বৈদ্যপোতায়। প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদ হওয়ার বছর দুয়েক পর দ্বিতীয় বিবাহ করেন সৌমেন। তারপর বহুতলে ফ্ল্যাট কেনেন। সেখানেই স্বামী স্ত্রী দুজনে থাকতেন।

শেষ আপডেট: 21 August 2025 12:36
দ্য ওয়াল ব্যুরো, হুগলি: রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের এক কর্মীর অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় বৃহস্পতিবার সকালে শোরগোল পড়ল চন্দননগরে। বহুতল আবাসন থেকে ওই ব্যক্তি ঝাঁপ দেন বলে পুলিশের প্রাথমিক সন্দেহ। মৃতের নাম সৌমেন দে(৩৯)।
তাঁর দেহ উদ্ধার করে চন্দননগর হাসপাতালে নিয়ে যায় পুলিশ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এসবিআইয়ের চুঁচুড়া খাদিনামোড় ব্রাঞ্চের ক্লার্ক ছিলেন সৌমেন দে। থাকতেন চন্দননগর রথের সড়কের একটি অভিজাত বহুতলের আটতলায়। তাঁর পৈতৃক বাড়ি চন্দননগর বৈদ্যপোতায়। প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদ হওয়ার বছর দুয়েক পর দ্বিতীয় বিবাহ করেন সৌমেন। তারপর বহুতলে ফ্ল্যাট কেনেন। সেখানেই স্বামী স্ত্রী দুজনে থাকতেন।
এদিন সকালে তাঁর স্ত্রী বাবাকে নিয়ে ডাক্তার দেখাতে কলকাতা রওনা হন। যাওয়ার আগে স্বামী-স্ত্রী এক সঙ্গে প্রাতরাশ করেন। স্ত্রী বেরিয়ে যেতেই এই কাণ্ড। শব্দ পেয়ে ছুটে যান আবাসনের সিকিউরিটিরা। ফ্ল্যাটের নীচে সৌমেনবাবুর দেহ পড়ে থাকতে দেখতে পান তাঁরা। চন্দননগর পুরো নিগমের সিপিআইএম কাউন্সিলর অশোক গাঙ্গুলী খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান। তিনি বলেন, "আবাসন থেকে একজন ঝাঁপ দিয়েছে শুনে আমি আসি। উনি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের কর্মচারী ছিলেন। ফ্ল্যাটে তখন একাই ছিলেন। ফ্ল্যাটের উত্তর দিকের লবি থেকে ঝাঁপ দিয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।"
ব্যাঙ্ক কর্মীর মাসতুতো দাদা শোভন শীল বলেন, "মাসি ফোন করে জানায় ভাইয়ের দুর্ঘটনা হয়েছে। কী করে হল, কেন হল জানি না। রথের সড়কের আবাসনে ভাই আর তাঁর স্ত্রী থাকত। আজকে অফিসে যাওয়ার আগে এটা হয়েছে। আমি শুনেছি দুর্ঘটনা হয়েছে। হাসপাতালে এসে শুনি ব্যালকনি থেকে পড়ে গেছে।" পারিবারিক কোনও সমস্যা ও মানসিক অবসাদ ছিল কিনা তা বলতে পারেননি শোভনবাবু।