Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

দমদমে বাংলা পক্ষের মিছিল! ১৪ বছরের নাবালিকার গণধর্ষণের বিরুদ্ধে ফাঁসির দাবিতে সরব সংগঠন

সংগঠন দাবি করেছে, ঘটনায় অভিযুক্তরা বহিরাগত এবং পশ্চিমবঙ্গের নিরাপত্তা ব্যাহত করছে। তারা দ্রুত কড়া ব্যবস্থা নিতে ও অভিযুক্তদের সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়ার দাবি তুলেছে।

দমদমে বাংলা পক্ষের মিছিল! ১৪ বছরের নাবালিকার গণধর্ষণের বিরুদ্ধে ফাঁসির দাবিতে সরব সংগঠন

মিছিলে নামে বাংলা পক্ষ

পৃথা ঘোষ

শেষ আপডেট: 9 November 2025 21:38

দ্য ওয়াল ব্যুরো: দমদমে ১৪ বছর বয়সি এক কিশোরীকে গণধর্ষণের (14 year old gangrape) অভিযোগে অভিযুক্ত তিন জনের বিরুদ্ধে সর্বোচ্চ শাস্তি (death penalty of accused) দাবি করে বৃহৎ মিছিলে নামে বাংলা পক্ষ (Bangla Paksha) সংগঠন।

বাংলার ওই কিশোরীর নির্যাতনে অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন রাজ্যের বাইরে থেকে আসা তিন ব্যক্তি - সঞ্জু সাউ, ভিকি পাসওয়ান ও রাজেশ পাসওয়ান। তাদের দ্রুত শাস্তি দাবি করে মাঠে নেমেছে স্থানীয়রা।

প্রসঙ্গত, এই মিছিলের আগেও দমদম থানা ঘেরাও করেছে বাংলা পক্ষ।

আজ দুপুরে দমদম এয়ারপোর্টের গেট নং ১ থেকে মিছিল শুরু করে সংগঠনটি। মিছিলটি কালীধান কলোনি, গোরাবাজার হয়ে নাগেরবাজারে গিয়ে শেষ হয়। জেলা এবং শহর পর্যায়ের অনেক নেতা ও সদস্য মঞ্চে ছিলেন।

মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন সাধারণ সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায়, জেলা সম্পাদক পিন্টু রায় এবং অন্যান্য সাংগঠনিক নেতারা। উপস্থিত ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক কৌশিক মাইতি, শীর্ষ পরিষদ সদস্য মহ: সাহীন, কলকাতা জেলার সম্পাদক সৌম্য বেরা, উত্তর চব্বিশ পরগনা গ্রামীন সাংগঠনিক জেলার সম্পাদক দেবাশীষ মজুমদার। ছিলেন অর্পণ ঘোষ, সৌমেন পন্ডা, লীনা রায়, প্রীতি মিত্র-সহ জেলা কমিটির বহু কর্মী।

সংগঠন দাবি করেছে, ঘটনায় অভিযুক্তরা বহিরাগত এবং পশ্চিমবঙ্গের নিরাপত্তা ব্যাহত করছে। মিছিলে বক্তারা বলছেন, “বাঙালি মা-বোনদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা না হলে এই প্রতিরোধ চালিয়ে যাওয়া হবে।” তারা রাজ্য প্রশাসনকে দ্রুত কড়া ব্যবস্থা নিতে ও অভিযুক্তদের সর্বোচ্চ শাস্তি দেওয়ার দাবি তুলেছে।

বাংলা পক্ষের সাধারণ সম্পাদক গর্গ চট্টোপাধ্যায় বলেন,  "বাংলা জুড়ে বিহার-ইউপির ক্রিমিনাল বাড়ছে। ১৪ বছরের বাঙালি বোনের গণধর্ষণ করেছে বিহার থেকে আসা তিন ক্রিমিনাল। এটা অন্য রাজ্যে সম্ভব? গুজরাতে এক নাবালিকাকে ধর্ষণ করেছিল এক হিন্দিভাষী ক্রিমিনাল। ৭ দিনে ২৫ হাজার হিন্দিভাষীকে গুজরাট থেকে বিতাড়িত করা হয়েছিল। আমরা আইন ও সংবিধান মেনে ফাঁসি চাইছি।"

সাংগঠনিক সম্পাদক কৌশিক মাইতি অভিযোগ করেন, রাজনৈতিক কারণে কিছু অঞ্চলে অপরাধীদের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে এবং প্রশাসনিক প্রশ্রয় নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। জেলা সম্পাদক পিন্টু রায় বলেন, "বিহার থেকে আসা ধর্ষক সঞ্জয় রাই, ভিকি পাসওয়ানরা পাড়ায় পাড়ায় বাড়ছে কেন? বাংলাকে বিহার বানানো হচ্ছে। রাজ্য সরকার চুপ। বিভিন্ন দল ভোটের লোভে এই বহিরাগত ক্রিমিনালদের তেল দেয়। এটা লজ্জাজনক।"

ঘটনাটির পর স্থানীয় সমাজে ক্ষোভ ছড়িয়েছে। বাংলা পক্ষ বলেছে, যদি দ্রুত ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তাহলে এখানেই শেষ নয় - তারা ভবিষ্যতে এরপর এরকম আরও আন্দোলনের ডাক দেবে।


```