পরিবারের অভিযোগ, "রাতে একটি ইঞ্জেকশন দেওয়ার পরেই হঠাৎ শরীর খারাপ করতে থাকে প্রসূতিদের। কেউ কাঁপতে থাকেন, কেউ বা শ্বাসকষ্টে ছটফট করেন।"

ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 19 July 2025 09:14
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ফের হাসপাতালে ভুল ইঞ্জেকশন (Wrong Injection) দেওয়ার অভিযোগ! ফের কাঁপুনি, শ্বাসকষ্টের উপসর্গ একের পর এক প্রসূতির শরীরে (Maternity Ward)। ঘটনার জেরে চাঞ্চল্য ছড়াল দক্ষিণ দিনাজপুরের বালুরঘাট সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে (Balurghat Hospital)। একসঙ্গে প্রায় ৮ থেকে ১০ জন প্রসূতির শরীর খারাপ। শুক্রবার রাত থেকেই হাসপাতাল চত্বরে উত্তেজনা।
পরিবারের অভিযোগ, "রাতে একটি ইঞ্জেকশন দেওয়ার পরেই হঠাৎ শরীর খারাপ করতে থাকে প্রসূতিদের। কেউ কাঁপতে থাকেন, কেউ বা শ্বাসকষ্টে ছটফট করেন।"
ঘটনার পরে ক্ষোভে ফেটে পড়েন একাধিক প্রসূতির পরিবার। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগে সরব তাঁরা।
খবর পেয়ে রাতেই হাসপাতালে পৌঁন জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক ডাঃ সুদীপ দাস, সঙ্গে ছিলেন একাধিক বিভাগের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক। বিশেষ পর্যবেক্ষণে রাখা হয় অসুস্থদের। রাতেই দু'জন প্রসূতিকে স্থানান্তর করা হয় সিসিইউ-তে।
এক প্রসূতির স্বামী মিঠুন মালি বলেন, “আমার স্ত্রী সুস্থই ছিলেন। রাতের ইঞ্জেকশনের পরেই হঠাৎ শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। আমরা প্রতিবাদ করতে গেলে আমাদের বাইরে বের করে দেওয়া হয়।” ঘটনার খবর পেয়ে বিশাল পুলিশ বাহিনী নিয়ে হাসপাতালে পৌঁন বালুরঘাট থানার আইসি সুমন্ত বিশ্বাস।
যে ইঞ্জেকশন দেওয়া হয়েছিল, তা আদৌ সঠিক ছিল কিনা, তাতে কোনও ত্রুটি ছিল কিনা, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েছে হাসপাতাল ও রোগীর পরিজনদের মধ্যে। মুখে কুলুপ স্বাস্থ্য আধিকারিকদেরও।
শনিবার ভোর ৪টে পর্যন্ত হাসপাতালে ছিলেন জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক। তাঁর স্পষ্ট কথা, “সব রোগী সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত হাসপাতাল ছাড়ব না।”
কয়েক মাস আগেই একই ধরনের অভিযোগ উঠেছিল মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজে। এবার বালুরঘাটের সরকারি হাসপাতালে ফের সেই আশঙ্কারই পুনরাবৃত্তি? স্বাস্থ্য দফতর কি পদক্ষেপ নেয়, এখন সেটাই দেখার।