সূত্র বলছে, দীর্ঘদিন ধরেই ঋণের চাপে ভুগছিলেন মা-ছেলে। বাড়ি বন্ধক দেওয়া ছিল এক বেসরকারি সংস্থার কাছে। সেই সঙ্গে মানসিক অবসাদও গ্রাস করছিল অরিন্দমকে।

অরিন্দম দাস।
শেষ আপডেট: 15 July 2025 16:52
সূত্র বলছে, দীর্ঘদিন ধরেই ঋণের চাপে ভুগছিলেন মা-ছেলে। বাড়ি বন্ধক দেওয়া ছিল এক বেসরকারি সংস্থার কাছে। সেই সঙ্গে মানসিক অবসাদও গ্রাস করছিল অরিন্দমকে। আত্মহত্যার আগেই বন্ধুদের একটি হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ পাঠিয়েছিলেন তিনি। তাতেই কিছু নাম, যাঁরা নাকি তাঁকে মানসিকভাবে চাপে রেখেছিলেন। পুলিশ সেই মেসেজকেই ‘সুইসাইড নোট’ হিসেবে দেখছে।
তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, সম্প্রতি বাড়ির একতলায় থাকা ভাড়াটেদের সঙ্গে বিবাদে জড়ান অরিন্দম। অভিযোগ, তাঁদের অনুমতি ছাড়াই নির্মাণকাজ শুরু করেছিলেন ভাড়াটেরা। সেই নিয়েই অশান্তি। ওই ভাড়াটেদের আটক করে জেরা করছে পুলিশ।
এলাকাবাসীর মুখে শোক আর বিস্ময়। “অরিন্দম খুব নিরীহ ছেলে। কুকুরগুলোকে নিজের সন্তানের মতো দেখত। এমন কাজ করবে, ভাবিনি কখনও,” বলছেন প্রতিবেশী এক বৃদ্ধা।
ঘটনাস্থলে যান ডিসিপি (সেন্ট্রাল) ধ্রুব দাস। তিনি বলেন, “একাধিক দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে, আত্মহত্যার প্ররোচনা, মানসিক চাপ, এমনকি খুনের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।”
ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পরই জানা যাবে যূথিকা দেবীর মৃত্যু নিছক বিষক্রিয়ার ফল, নাকি কিছু অন্য রহস্য লুকিয়ে আছে তার মধ্যে। এই মুহূর্তে অরিন্দম জ্ঞান ফেরার অপেক্ষায়। তাঁর জবানবন্দিই হতে পারে তদন্তের মোড় ঘোরানোর চাবিকাঠি।