
শেষ আপডেট: 16 July 2023 15:12
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সপ্তাহভর নাগাড়ে বৃষ্টিতে কার্যত জলের তলায় রাজধানী দিল্লি। সুপ্রিম কোর্ট চত্বর থেকে শুরু করে লাল কেল্লার কাছে কাশ্মীরি গেট এলাকা, সর্বত্রই উঠে এসেছে যমুনার জল। ৬টি জেলা জলমগ্ন হয়ে পড়েছে, নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে অন্তত ২৫ হাজার মানুষকে। রবিবার সকালেই বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শনে বেরিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তারপরেই সন্ধ্যায় বন্যাদুর্গত প্রতিটি পরিবারকে ১০ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদানের কথা ঘোষণা করলেন (Kejriwal announces Rs 10000)।
এদিন সন্ধ্যা ৭.১১ মিনিটে এটি টুইট করেন কেজরিওয়াল। সেই টুইটে তিনি লেখেন, 'যমুনার তীরে অজস্র দরিদ্র মানুষের বাস ছিল, যাঁরা বন্যার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। কিছু কিছু পরিবারের তো সর্বস্ব ভেসে গেছে বন্যার জলে।'
এরপর তিনি আরও লেখেন, প্রতিটি বন্যা দুর্গত পরিবারকে ১০ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। এছাড়া যাঁরা, ভোটার কার্ড এবং আধার কার্ডের মতো গুরুত্বপূর্ণ নথি হারিয়ে ফেলেছেন, তাঁদের জন্য বিশেষ ক্যাম্প খোলা হবে। যে সমস্ত শিশুদের বই-খাতা এবং স্কুলের পোশাক জলে ভেসে গেছে, স্কুলের হয়ে সরকার তা সরবরাহ করবে।
উল্লেখ্য, এর আগে ১৯৭১ সালে শেষবার এমন বিধ্বংসী বন্যা হয়েছিল দিল্লিতে (Delhi flood)। ৪৫ বছর আগের সেই বন্যায় প্রায় একই রকম ফুঁসে উঠেছিল যমুনা। তবে এবারের পরিস্থিতি আরও ভয়ানক। প্রবল বন্যায় রিং রোডের সিভিল লাইন, মঞ্জু কা টিলা, কাশ্মীরি গেট সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। এই এলাকা মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের বাসভবন থেকে মাত্র ৫০০ মিটার দূরে। কাশ্মীরি গেট লাগোয়া এলাকাতেই রয়েছে দিল্লি বিধানসভা। বোট ক্লাব, মনস্ট্রি মার্কেট, যমুনা বাজার, গীতা ঘাট, খাড্ডা কলোনি, থেকে শুরু করে ওয়াজিরাবাদ, ময়ূর বিহার, সব এলাকাই জলমগ্ন। তবে আজ রবিবার খানিকটা নেমেছে যমুনার জলস্তর। যদিও এখনও পর্যন্ত তা বিপদসীমার উপরেই রয়েছে। তবে রাতের মধ্যে জল আরও একটু নামবে বলে আশা করা হচ্ছে।
দিল্লি শহর নির্মাণের গোড়াতেই গলদ! পরিকল্পনার বড় ভুলেই এমন বন্যা, দাবি বিশেষজ্ঞদের