শুভেন্দু বলেন, এই ধরনের নেতারা সব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে অ্যাসেট। প্রকাশ্যে সভামঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, কেষ্টকে রাজ্যসভার টিকিট দিতে চেয়েছিলাম, নেয়নি। সেই অনুব্রত থানায় গেলে থোড়াই পুলিশ ফোন বাজেয়াপ্ত করবে?

শুভেন্দু অধিকারী
শেষ আপডেট: 5 June 2025 20:53
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বাংলার পুলিশের যা হাল তা সকলেরই জানা। একজন আইনের ছাত্রীকে তুলে আনতে গুরগাঁও চলে যায় অথচ একজন আইসি, যিনি অ্যাকাডেমিক কোয়ালিফিকেশন, ফিটনেসে পাশ করে ডিউটি করছেন, তাঁর মা-বউকে হুমকি-গালিগালাজ করলে পুলিশমন্ত্রীর গায়ে লাগে না। বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এমনটাই বললেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দু বলেন, "একজন তৃণমূল নেতা মদ্যপ অবস্থায় ফোন করে পুলিশ অফিসারকে গালিগালাজ করছেন। হুমকি দিচ্ছেন। রাজীব কুমারকে বলছেন, এই ডিজি আইসিকে কখন সরাবে? সেই নেতাকে গ্রেফতার না করে মুখ্যমন্ত্রী যেভাবে প্রোটেকশন দিচ্ছেন, সেটা ভাবা যায় না।" তাঁর মতে অনুব্রত মণ্ডলরা কেউ নন, যত নষ্টের গোড়া মমতা। তাঁরই ছত্রছায়ায় নেতা-মন্ত্রীরা এই ধরনের আচরণ করার সাহস পান।
শুভেন্দু আরও বলেন, এই ধরনের নেতারা সব মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে অ্যাসেট। প্রকাশ্যে সভামঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, কেষ্টকে রাজ্যসভার টিকিট দিতে চেয়েছিলাম, নেয়নি। সেই অনুব্রত থানায় গেলে থোড়াই পুলিশ ফোন বাজেয়াপ্ত করবে? যা দোষ এখন আইসির। তাঁর কোথায়, "আমি তো বলছি, আইসিকেই সাসপেন্ড করে দেওয়া হবে, দেখে নিন।"
বস্তুত, দু'দিন হাজিরা এড়ানোর পর সাত দিন 'বেডরেস্টে' থেকে বৃহস্পতিবার সাড়ে তিনটে নাগাদ লোকচক্ষুর আড়ালে শান্তিনিকেতন এসডিপিও অফিসে গিয়ে হাজিরা দেন অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)। ঘণ্টা দুয়েক তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন তদন্তকারী অফিসার। তারপরই মুখে মুচকি হাসি, কোমরের পিছনে দু'হাত জোড় করে গটগট করে বেরিয়ে আসেন তিনি।
এদিকে ভাইরাল অডিও কাণ্ডে বোলপুর থানার আইসি (Bolpur IC) আইসি লিটন হালদারের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত শুরু করেছে জেলা পুলিশ। সূত্রের খবর, তদন্তের স্বার্থে আইসির মোবাইল ফোনটিও সিজ করা হয়েছে। যদিও কেষ্টর ফোন বাজেয়াপ্ত করেনি পুলিশ। যা নিয়ে ক্ষুব্ধ পুলিশের নিচুতলারই একাংশ।