
শেষ আপডেট: 12 May 2023 12:26
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ১৯৬৪ সালে কেনা হয়েছিল রোলেক্স ঘড়িটি (Antique Rolex watch auction)। ঘড়ির মালিক সেই সময়ে মাত্র ৭,০০০টাকা খরচ করেছিলেন এটি কিনতে। তবে, ৬০ বছর পর ছবিটা পুরোপুরি, পালটে গেল। ৭ হাজারের সেই ঘড়ি বিক্রি হল অবিশ্বাস্য দামে। নিলামে ৪১ লাখ টাকারও বেশি দর উঠল পুরনো মডেলের এই ঘড়িটির (Rolex watch auction in England 41 lakh price)।
রোলেক্সের এই ঘড়িটির মডেলের নাম সাবমেরিনার মডেল। অনেকে অবশ্য ডাইভার'স ওয়াচও বলে থাকেন এই ঘড়িকে। একাধিক ইতিহাস জুড়ে আছে এই ঘড়ির সঙ্গে। ১৯৫৩ সালে প্রথমবার রোলেক্স কোম্পানি এই মডেলটি বাজারে আনে ডাইভারদের কথা ভেবে। ঘড়িটি ছিল প্রথম 'ওয়াটারপ্রুফ' ঘড়ি। জলের নিচে প্রায় ১০০ মিটার অর্থাৎ ৩৩০ ফিট গভীরেও সচল থাকত এই ঘড়ি। বর্তমানে এই ঘড়ির কার্যক্ষমতা বেড়ে হয়েছে ১০০০ ফিট বা ৩০০ মিটার।
ঘড়িটি ১৯৬৪ সালে কিনেছিলেন সিমোন বারনেট। তিনি রয়াল নেভি কোম্পানিতে রেসকিউ হেলিকপ্টারে চাকরি করতেন। ২০১৯ সালে তিনি মারা যান। তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর ছেলে পেট বারনেট নিলামে তোলার জন্য ঘড়িটি দেন। তখন যদিও বেশি দাম ওঠেনি।
এরপর বিবিসির অ্যান্টিক শো-তে ঘড়িটি উপস্থাপিত হয়। সেখানেই ঘড়িটির দাম পৌঁছয় ৩০ হাজার থেকে ৪৫ হাজার পাউন্ডের মধ্যে। বড় মুল্যে বিক্রি হয় এই ঘড়ি।
ঘড়ি বিক্রির প্রসঙ্গে পেটে জানান যে এই ঘড়ি সেই সময়ের তাঁর বাবার প্রয়োজনে লাগত। কিন্তু এখন এই ঘড়ি নেহাত ফ্যাশন ছাড়া কিছুই নয়। সেই কারণেই তিনি নিলামে তোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তাঁর বাবার স্মৃতিবিজড়িত এই ঘড়িটি।
বিদেশির হেঁশেলে আলুপোস্ত! ছবি দেখে লোভ সামলাতে পারছেন না অনুরাগীরা