রাজীব বিশ্বাস নামে যিনি খুন হয়েছেন তিনি বিজেপির বুথ সভাপতি ছিলেন। নিজের বাবা, ভাই ও ২ তৃণমূলকর্মী তাঁকে প্রথমে পিটিয়ে এবং পরে জ্যান্ত পুড়িয়ে খুন করেন।

গ্রেফতার অন্যতম মূল অভিযুক্ত
শেষ আপডেট: 16 September 2025 19:43
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বারুইপুরে বিজেপি নেতাকে (Baruipur BJP Leader) নৃশংসভাবে খুনের ঘটনায় ফেরার ছিল অন্যতম মূল অভিযুক্ত। তাকেই অবশেষে গ্রেফতার (Arrest) করা হল। মহারাষ্ট্র থেকে অমিত মণ্ডল নামের ওই যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আর এর পরই সাংবাদিক বৈঠক করে বারুইপুর পুলিশ (Baruipur Police) স্পষ্ট করেছে, এই ঘটনার সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগ নেই।
রাজীব বিশ্বাস নামে যিনি খুন হয়েছেন তিনি বিজেপির বুথ সভাপতি ছিলেন। নিজের বাবা, ভাই ও ২ তৃণমূলকর্মী তাঁকে প্রথমে পিটিয়ে এবং পরে জ্যান্ত পুড়িয়ে খুন করেন। বারুইপুর পুলিশ জানাচ্ছে, পরিবারের মধ্যে কোনও কারণে বাদানুবাদ হয় এবং তা থেকেই এই ঘটনা ঘটে। এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও সম্পর্ক নেই।
এই ঘটনায় বিজেপি অভিযোগ করেছিল, খুনের পর গোটা ঘটনা ধামাচাপা দিতে রাজীবের দেহ বাড়িতেই রেখে দেওয়া হয়েছিল এবং পুলিশ বিষয়টি জেনেও কোনও পদক্ষেপ নেয়নি। কিন্তু এই অভিযোগ সরাসরি উড়িয়ে দিয়েছে পুলিশ। সাংবাদিক বৈঠকে স্পষ্ট বলা হয়েছে, প্রথম থেকেই তদন্ত চলছে এবং সেই পরিপ্রেক্ষিতেই অন্যতম মূল অভিযুক্তকেও পাকড়াও করা সম্ভব হয়েছে।
বারুইপুরের এসডিপিও অভিষেক রঞ্জন জানিয়েছেন, অমিত মণ্ডল নিহত বিজেপি নেতার ভাইয়ের বন্ধুবান্ধবের মধ্যে পড়েন। ঘটনার পর ট্রেনে করে মুম্বই পালিয়ে যান তিনি। সেখানে কিছু বন্ধুদের সঙ্গে ছিলেন। খবর পাওয়ার পর টিম পাঠিয়ে সেখান থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, রাজীব বিশ্বাসের আচরণ, ব্যবহার এবং নেশার বাড়বাড়ন্তে অতিষ্ট হয়ে গেছিল পরিবারের সদস্যরা। তাতে লাগাম দেওয়ার চেষ্টা চলছিল। সেই কারণেই বিবাদ বেড়ে যাওয়ায় খুনের ঘটনা ঘটেছে। ইতিমধ্যে মৃত রাজীব বিশ্বাসের বাবা নিতাই বিশ্বাস এবং ছোট ছেলে সন্দীপ বিশ্বাসকে আগেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ।