ভোটার তালিকায় নাম তোলা, কাটা বা সংশোধনে এবার বাধ্যতামূলক আধার যাচাই
.jpeg.webp)
গ্রাফিক্স-দ্য ওয়াল।
শেষ আপডেট: 24 September 2025 19:38
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কর্নাটকে ভোটচুরির (Vote Rigging) অভিযোগে উত্তাল দেশের রাজনীতি। সেই বিতর্কের মধ্যেই বড়সড় সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের (Election Commission)। মঙ্গলবার থেকে চালু হল ভোটার তালিকা সংশোধনের ক্ষেত্রে ‘ই-স্বাক্ষর’ (E-Signature System) ভিত্তিক আধার যাচাইকরণ ব্যবস্থা। কমিশনের দাবি, এই পদক্ষেপে ভুয়ো আবেদন ঠেকানো যাবে, স্বচ্ছতা আসবে প্রক্রিয়ায়।
আগে যেখানে ভোটার তালিকায় নাম তোলা (ফর্ম ৬), নাম বাদ দেওয়া (ফর্ম ৭) বা তথ্য সংশোধনের (ফর্ম ৮) জন্য শুধুমাত্র এপিক নম্বর দিলেই চলত, সেখানে এখন থেকে আবশ্যিক আধার যাচাই। আবেদনকারীর আধার নম্বর ও তাতে যুক্ত মোবাইল নম্বরে আসা ওটিপি দিয়ে ‘ই-স্বাক্ষর’ না করলে, আবেদন গৃহীতই হবে না।
কমিশন জানিয়েছে, এতে করে যাচাই করা সম্ভব হবে—আবেদনকারী নিজেই আবেদন করছেন, না কি কেউ তাঁর নামে ভুয়ো আবেদন জমা দিচ্ছে।
কর্নাটক কাণ্ডের পরেই কমিশনের পদক্ষেপ?
কয়েক দিন আগেই কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী অভিযোগ করেছিলেন, কর্নাটকের আলন্দে ২০২৩-র বিধানসভা নির্বাচনের আগে ছ’হাজারেরও বেশি ভোটারের নাম মুছে ফেলার চেষ্টা হয়েছিল। সেই ঘটনায় হইচই পড়ে যায় রাজনৈতিক মহলে। কমিশন পরে জানায়, ৬,০১৮টি নাম বাদ দেওয়ার আবেদনের মধ্যে মাত্র ২৪টি ছিল বৈধ।
এই বিতর্কের ঠিক পরপরই কমিশনের তরফে এই নতুন ব্যবস্থা চালুর সিদ্ধান্ত, যা অনেকের কাছেই তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে হচ্ছে।
নতুন ব্যবস্থায় আবেদন করতে গেলে প্রথমে অনলাইন ফর্ম ফিল-আপ করতে হবে। তারপর জমা দেওয়ার মুহূর্তে খুলবে ‘ই-স্বাক্ষর’ পোর্টাল। সেখানে দিতে হবে আধার নম্বর। মোবাইলে আসবে ওটিপি। সঠিক ওটিপি দিলে তবেই আবেদন জমা হবে।
কমিশনের আশ্বাস—এই পদ্ধতিতে আরও স্বচ্ছ, আরও নিরাপদ হবে দেশের ভোটার তালিকা সংশোধনের প্রক্রিয়া।