এই ঘটনায় রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। কেউ দাবি করছেন তাঁরা শ্রমিক, জমির ইতিহাস জানেন না। আবার কেউ নিজেকে জেলার এক ইঞ্জিনিয়ারের ভগ্নিপতি পরিচয় দিয়ে দাবি করছেন— জায়গাটি তাঁর শালির শাশুড়ির নামে কেনা!

বেহুলা নদীতে নির্মাণ
শেষ আপডেট: 13 June 2025 20:06
দ্য ওয়াল ব্যুরো, পূর্ব বর্ধমান: বিশ্বাস, কলার ভেলায় লখিন্দরের দেহ নিয়ে বেহুলা নদীতে পাড়ি দিয়েছিলেন বেহুলা। সেই সেই পথই এখন মুখ ঢেকেছে অবৈধ নির্মাণে। অভিযোগ, বর্ধমান পুরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের খালাসিপাড়ায় বেহুলা নদীকে জবরদস্তি বুজিয়ে প্লট তৈরি করে বিক্রি করছেন একদল অসাধু ব্যক্তি। কোথাও কোথাও নির্মাণকাজ শুরু হয়ে গেছে। নদীবক্ষেই চলছে প্রাচীর দেওয়ার কাজ।
এই ঘটনায় রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। কেউ দাবি করছেন তাঁরা শ্রমিক, জমির ইতিহাস জানেন না। আবার কেউ নিজেকে জেলার এক ইঞ্জিনিয়ারের ভগ্নিপতি পরিচয় দিয়ে দাবি করছেন— জায়গাটি তাঁর শালির শাশুড়ির নামে কেনা! অথচ প্রশাসন কার্যত উদাসীন।
জানা গেছে, খালাসিপাড়া পুরসভা ও রায়ান গ্রাম পঞ্চায়েতের সংযুক্ত এলাকা। এর আগেও বেহুলা নদী বুজিয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছিল খাগড়াগড়েও, যেখানে খোদ জেলাশাসক হস্তক্ষেপ করে কাজ বন্ধ করিয়েছিলেন। খালাসিপাড়ার সেরকম কোনও পদক্ষেপ নজরে আসেনি। বর্ধমান পুরসভার চেয়ারম্যান পরেশচন্দ্র সরকার জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত লিখিত অভিযোগ পাননি। তবে ঘটনাটি জানার পর তিনি নিজে এলাকা পরিদর্শনে যাবেন বলেও জানিয়েছেন।
এই ঘটনায় শুরু হয়েছিল রাজনৈতিক চাপানউতোর। বিজেপির জেলা মুখপাত্র শান্তরূপ দে বলেন, “এই সিন্ডিকেট রাজের নেপথ্যে রয়েছে শাসকদলের মদত। না থামলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামব।” অন্যদিকে তৃণমূলের মুখপাত্র প্রসেনজিৎ দাস দাবি করেন, “তৃণমূল এমন কাজ কখনও প্রশ্রয় দেয় না। প্রশাসন নিশ্চয় ব্যবস্থা নেবে।”