বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশনে নালিশ জানানো হবে বলে জানিয়েছেন বিজেপি নেতৃত্ব। এসআইআরের জন্য মঙ্গলবার থেকে বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন বিএলওরা। সেদিনই বিজেপির এমন অভিযোগে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজ্যের একাধিক এলাকায়।

শেষ আপডেট: 4 November 2025 18:31
দ্য ওয়াল ব্যুরো: মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়েছে এসআইআর (SIR In West Bengal)। এনুমারেশন ফর্ম (Enumeration Form West Bengal) নিয়ে ভোটারদের কাছে যাচ্ছেন বিএলওরা (BLO)। নির্বাচন কমিশনের (Election Commision) নির্দেশ অমান্য করে চণ্ডীতলায় তৃণমূল ঘনিষ্ঠ শিক্ষক ও অঙ্গনওয়ারি কর্মীদের বিএলও করা হয়েছে বলে অভিযোগ বিজেপির (BJP)।
হুগলির বিজেপি নেতা কৃষ্ণেন্দু মিত্রের দাবি, চণ্ডীতলা দু'নম্বর ব্লকে ২৮৭ নম্বর বুথে খগেন সমাদ্দার ও ২৮৯ নম্বর বুথে দেবাশিস সরকার বিএলও হয়েছেন। তাঁরা তৃণমূলের সক্রিয় কর্মী। অতীতে তৃণমূলের বহু কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে যোগদান করতে দেখা গিয়েছে তাঁদের। তিনি বলেন, "দলের কর্মীদের বিএলও করে এসআইআর ব্যর্থ করতে চাইছে তৃণমূল।"
তৃণমূলের প্রাক্তন কাউন্সিলর শম্ভু সাউ দাবি করেন, প্রত্যেক মানুষের একটা রাজনৈতিক সত্তা থাকতে পারে। সেটা নির্বাচনের সময়। তিনি সরকারি কর্মচারী হয়ে সবার জন্য কাজ করেন। আসলে বিজেপির পায়ের তলায় মাটি নেই তাই এসব অভিযোগ তুলছে।
উত্তর চব্বিশ পরগনার বাগদা বিধানসভার বয়রা গ্রাম পঞ্চায়েতে বিএলও নিয়োগ নিয়ে অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। বনগাঁ যুব মোর্চার ভাইস প্রেসিডেন্ট দেবব্রত ঢালির প্রশ্ন, বয়রা গ্রাম পঞ্চায়েতের বিএলও মধুসূদন মণ্ডল একজন তৃণমূল কর্মী। এই ভোকেশনাল শিক্ষক কীভাবে বিএলও হতে পারেন? এলাকায় তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যার স্বামী সুফল বিশ্বাস ও আরেক তৃণমূল সদস্য হাবিবুর মণ্ডলকে নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। বিএলও মধুসূদন মণ্ডলের পাল্টা দাবি, "বেঁচে থাকতে প্রত্যেকটা মানুষকে কোনও না কোনও রাজনৈতিক দলের অনুরাগী হতে হয়। এতে কোনও অন্যায় নেই।" তবে বিষয়টি নিয়ে নির্বাচন কমিশনে নালিশ জানানো হবে বলে জানিয়েছেন বিজেপি নেতৃত্ব। এসআইআরের জন্য মঙ্গলবার থেকে বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন বিএলওরা। সেদিনই বিজেপির এমন অভিযোগে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে রাজ্যের একাধিক এলাকায়।