তৃণমূলের তরফে পোস্ট করে বলা হয়েছিল, হামলার মাধ্যমে ওই রাজ্যের শাসক দল প্রমাণ করল, বিরোধীদের ভয় দেখিয়ে থামানোর চেষ্টা তাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতির অঙ্গ।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়
শেষ আপডেট: 7 October 2025 23:43
দ্য ওয়াল ব্যুরো: উত্তরবঙ্গের (North Bengal) বিজেপি সাংসদ খগেন মুর্মুর (BJP MP Khagen Murmu) ওপর হামলার ঘটনার প্রতিবাদে ত্রিপুরায় (Tripura) মিছিল করেছিল বিজেপি (BJP)। সেই মিছিল থেকে তৃণমূল পার্টি অফিস (TMC Party Office) ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে ভাঙচুরের দৃশ্য দেখা যায়। তৃণমূলের অভিযোগ, বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতীরা ভয় পেয়ে গণতন্ত্রের ওপর আঘাত করেছে। এই নিয়ে মুখ খুললেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও (Abhisekh Banerjee)।
তৃণমূলের তরফে পোস্ট করে বলা হয়েছিল, হামলার মাধ্যমে ওই রাজ্যের শাসক দল প্রমাণ করল, বিরোধীদের ভয় দেখিয়ে থামানোর চেষ্টা তাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতির অঙ্গ। আর অভিষেকের খোঁচা, গণতন্ত্রের কথা মুখে বললেও আসলে তা রোধ করতে চায় বিজেপি। তিনি ত্রিপুরা পুলিশের (Tripura Police) ভূমিকা নিয়েও বড় প্রশ্ন তুলে দিয়েছেন। নিজে যে ভিডিও পোস্ট করেছেন তাতে দেখা যায়, ভাঙচুর হওয়ার সময় পুলিশ ছিল 'নীরব দর্শক'।
তৃণমূল সাংসদ লিখছেন - বাংলায় ভোটে পরাজিত হয়ে বিজেপি (BJP) এখন অন্য রাজ্যে হিংসার রাজনীতি ছড়াচ্ছে। পুলিশের সামনেই বিজেপি কর্মীরা তৃণমূলের রাজ্য কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেছে। এটি একক কোনও ঘটনা নয়। গত কয়েক বছরে ত্রিপুরায় একের পর একবার দলীয় নেতা–কর্মীদের উপর আক্রমণ হয়েছে। ২০২১ সালে আমার ত্রিপুরা সফরের সময়ও কনভয়ে হামলা চালিয়েছিল বিজেপি-সমর্থিত দুষ্কৃতীরা।
একই সঙ্গে অভিষেক জানিয়েছেন, বুধবারই তৃণমূলের পক্ষ থেকে পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল (Delegation Team) ত্রিপুরা যাবে। তাঁদের দায়িত্ব - ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানো, পরিস্থিতি সরেজমিনে পর্যালোচনা করা ও বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে রাজ্য প্রশাসনের কাছে তোলা।
Unable to defeat the Trinamool Congress at the ballot box in Bengal, BJP has unleashed its full machinery to provoke violence in states where they hold power. Their karyakartas ATTACKED and RANSACKED our Party office in Tripura, under the watchful eyes of the Tripura Police,… pic.twitter.com/n1RzgEOEdw
— Abhishek Banerjee (@abhishekaitc) October 7, 2025
দলের বক্তব্য, তৃণমূলের প্রতিটি কর্মী এবং ন্যায়বিচারে বিশ্বাসী প্রতিটি নাগরিক এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে আছেন। যা ঘটেছে তা ত্রিপুরার মানুষ তো বটেই, সমগ্র দেশ দেখছে। এই অন্যায়ের পরিণতি কী হবে, তা সকলের জানা।
প্রসঙ্গত নাগরাকাটা ঘটনায় ইতিমধ্যে এনআইএ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। শমীকের বক্তব্য, "মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার গুন্ডাদের আশ্রয়দাতা, তাই ত্রাণ দিতে গিয়ে সাংসদ-বিধায়ক আক্রান্ত হওয়ার পরও অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে পুলিশ প্রশাসন কোনও পদক্ষেপ করেনি। সে কারণেই এনআইএ তদন্ত চাওয়া।"