ত্রিপুরায় তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যালয়ে বিজেপি-সমর্থিত দুষ্কৃতীদের হামলা শুধু রাজনৈতিক হিংসা নয়, গণতন্ত্রের ওপর সরাসরি আঘাত — এমনই মন্তব্য তৃণমূল নেতৃত্বের।

ছবি - ভিডিও থেকে সংগৃহীত
শেষ আপডেট: 7 October 2025 19:10
দ্য ওয়াল ব্যুরো: উত্তরবঙ্গের নাগরাকাটায় (Nagrakata) বিজেপির সাংসদ-বিধায়কের ওপর হামলার ঘটনায় অভিযোগের আঙুল উঠেছে তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) বিরুদ্ধে। এই উত্তেজনার মাঝেই ত্রিপুরায় (Tripura) ঘাসফুল শিবিরের অফিস ভাঙচুরের (TMC Office Vandalize) ঘটনা ঘটল। আর একে 'গণতন্ত্রের হত্যা' বলে প্রতিবাদ জানিয়েছে তৃণমূল। একই সঙ্গে বিজেপিকে হুঁশিয়ারি - ত্রিপুরা শুধু নয়, গোটা দেশ দেখছে।
ত্রিপুরায় তৃণমূল কংগ্রেসের কার্যালয়ে বিজেপি-সমর্থিত দুষ্কৃতীদের হামলা শুধু রাজনৈতিক হিংসা নয়, গণতন্ত্রের (Democracy) ওপর সরাসরি আঘাত — এমনই মন্তব্য তৃণমূল নেতৃত্বের। দলের দাবি, এই হামলার মাধ্যমে ওই রাজ্যের শাসক দল প্রমাণ করল, বিরোধীদের ভয় দেখিয়ে থামানোর চেষ্টা তাদের রাজনৈতিক সংস্কৃতির অঙ্গ।
সোশ্যাল মাধ্যমে তৃণমূল কংগ্রেস এক বিবৃতিতে দিয়ে বলেছে - যাঁরা ক্ষমতায় থেকেও প্রতিপক্ষের কণ্ঠ রোধ করতে হিংসার আশ্রয় নেয়, তারা আসলে নিজেদের দুর্বলতা ও নৈতিক দেউলিয়াপনা প্রকাশ করে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, বিজেপি একদিকে ‘গণতন্ত্র বাঁচানোর’ কথা বলে, অন্যদিকে রাজ্য থেকে রাজ্যে গণতন্ত্রের ভিতকেই নষ্ট করছে। কিন্তু এতে যে তারা ভয় পাবে না বা পিছিয়ে আসবে না, তা স্পষ্ট করেছে তৃণমূল। সাফ কথা, বিজেপি পার্টি অফিস জ্বালাতে পারে, পোস্টার ছিঁড়তে পারে, কর্মীদের ভয় দেখাতে পারে — কিন্তু প্রতিরোধের মানসিকতা মুছে ফেলতে পারবে না।
The violent attack on @AITC4Tripura's office by BJP-backed goons is not an isolated act of aggression, it is an open assault on democracy. When those in power unleash violence to silence their opponents, they expose not strength, but fear and moral bankruptcy.
The BJP talks… pic.twitter.com/VPu78iHr8V— All India Trinamool Congress (@AITCofficial) October 7, 2025
দলের বক্তব্য, তৃণমূলের প্রতিটি কর্মী এবং ন্যায়বিচারে বিশ্বাসী প্রতিটি নাগরিক এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়ে আছেন। যা ঘটেছে তা ত্রিপুরার মানুষ তো বটেই, সমগ্র দেশ দেখছে। এই অন্যায়ের পরিণতি কী হবে, তা সকলের জানা।
এদিকে নাগরাকাটার ঘটনা নিয়ে তৃণমূল অবশ্য বলেছে, এটা রাজনৈতিক ইস্যু নয়। বন্যা পরিস্থিতির মধ্যে বিজেপির নেতারা সাধারণ মানুষের ক্ষোভের মুখে পড়েছিল কারণ তারা কোনও কাজই করেনি। তৃণমূল দলের এর সঙ্গে কোনও সম্পর্ক নেই।