পুজোর আগে এই প্রস্তুতি নিঃসন্দেহে স্বস্তি দিচ্ছে নাগরিকদের। তবে বাস্তবে কতটা কার্যকর হয় এই পরিকল্পনা, এখন তাকিয়ে রাজ্যবাসী।

ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 16 September 2025 18:19
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পুজোর (Durga Puja) ঢাকে কাঠি পড়ার আগেই রাজ্যজুড়ে অগ্নি নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে সক্রিয় রাজ্যের দমকল দফতর। মঙ্গলবার নিউটাউনের ফায়ার স্টেশনে সাংবাদিক বৈঠক করে একগুচ্ছ বড় ঘোষণা করলেন দমকল মন্ত্রী সুজিত বসু।
সুজিতবাবু জানিয়েছেন, “পুজোর ভিড় সামাল দিতে ও অগ্নিকাণ্ডের ঝুঁকি কমাতে রাজ্যে ৯৭টি অস্থায়ী ফায়ার স্টেশন (97 Temporary Fire Stations) তৈরি করা হচ্ছে। পাশাপাশি কলকাতা ও শহরতলী অঞ্চলে ২৫টি ‘ফায়ার কিয়স্ক’ থাকবে, যেখান থেকে দ্রুত প্রাথমিক ব্যবস্থা নেওয়া যাবে।”
পুজোর সময় সচেতনতা বাড়াতে দমকল দফতর নামছে এফএম রেডিও প্রচারে। দুর্গাপুজোর মূল দিনগুলিতে দমকল বিভাগের ডিজির নেতৃত্বে বড় বড় প্যান্ডেলগুলিতে অগ্নি নিরাপত্তা খতিয়ে দেখা হবে।
মন্ত্রী আরও জানান, “২০১১ সালে রাজ্যে যেখানে ১০৯টি দমকল কেন্দ্র ছিল, বর্তমানে সেই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬৬-এ। খুব শিগগিরই আরও ২৫টি স্থায়ী ফায়ার স্টেশন তৈরি হবে। রাজ্যের প্রতিটি কোণায় যাতে অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থার সুবিধা পৌঁছয়, সেই লক্ষ্যেই এই পরিকল্পনা।”
দমকল বিভাগের পরিকাঠামো ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নের উপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, “আগামী দিনে রাজ্যের দমকল বিভাগে নিত্যনতুন যন্ত্রপাতি যুক্ত করা হবে। ফায়ার ড্রোন ও রোবট (Fire Drone , Robot) ব্যবহারের মাধ্যমে অগ্নিকাণ্ডের সময় আরও দ্রুত এবং নিরাপদে কাজ করা যাবে।”
নিয়োগ সংক্রান্ত প্রশ্নে মন্ত্রী জানান, আদালতের স্থগিতাদেশ কাটলেই দমকল বিভাগে নতুন নিয়োগ শুরু হবে।
প্রতিদিনের মতো একঘেয়ে নয়, বরং আরও আধুনিক, আরও প্রযুক্তিনির্ভর হয়ে উঠছে রাজ্যের দমকল বিভাগ, এমনটাই বার্তা দিলেন মন্ত্রী সুজিত বসু। তাঁর কথায়, “দিনকে দিন দমকল বিভাগের গুরুত্ব বাড়ছে। তাই প্রযুক্তি, পরিকাঠামো ও জনসম্পৃক্ততা—সব দিকেই আমাদের নজর থাকছে।”
পুজোর আগে এই প্রস্তুতি নিঃসন্দেহে স্বস্তি দিচ্ছে নাগরিকদের। তবে বাস্তবে কতটা কার্যকর হয় এই পরিকল্পনা, এখন তাকিয়ে রাজ্যবাসী।