Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনের

দিঘার জগন্নাথের ৩০০ কেজি মহাপ্রসাদ গেল জেলায়, প্রসাদ থেকে তৈরি মিষ্টি যাবে বাড়ি বাড়ি

আগামী ১৭ জুন থেকে এই প্রসাদ বিতরণ শুরু হবে।

দিঘার জগন্নাথের ৩০০ কেজি মহাপ্রসাদ গেল জেলায়, প্রসাদ থেকে তৈরি মিষ্টি যাবে বাড়ি বাড়ি

গ্রাফিক্স-দ্য ওয়াল।

শেষ আপডেট: 9 June 2025 17:29

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আগামী ২৭ জুন রথযাত্রা। তার আগেই রাজ্যের প্রতিটি ঘরে ঘরে পৌঁছে যাবে দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের (Digha Jagannath Dham) মহা প্রসাদ (Mahaprasad)- গজা ও পেঁড়া।

গত এপ্রিলে দিঘার জগন্নাথ মন্দিরের উদ্বোধনের সময়ই একথা জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। মুখ্যমন্ত্রীর সেই নির্দেশ মেনে সোমবার দিঘার জগন্নাথ মন্দির থেকে ৩০০ কেজি মহা প্রসাদ জেলায় জেলায় পাঠানো হল। জেলাশাসকদের মাধ্যমে বিডিওদের কাছে পৌঁছে যাবে ওই মহাপ্রসাদ। সেখান থেকে ব্লকের মিষ্টি দোকানে ওই প্রসাদ থেকে মিষ্টি তৈরি হবে এবং সব বাড়ি বাড়ি যাবে। 

দিঘার জগন্নাথ মন্দির ট্রাস্টেরও অন্যতম সদস্য তথা ইসকনের কলকাতার ভাইস প্রেসিডেন্ট রাধারমণ দাস সোমবার টেলিফোনে দ্য ওয়ালকে বলেন, "এদিন কলকাতার স্বনামধন্য মিষ্টি দোকান থেকে শীততাপ নিয়ন্ত্রিত কন্টেনারে করে ৩০০ কেজি খোওয়া নিয়ে আসা হয়। আমরা তা ভগবান জগন্নাথের কাছে নিবেদন করি। পরে সেই প্রসাদই জেলায় জেলায় পাঠানো হয়েছে।"

জানা যাচ্ছে, একেকটি বাক্সে ১০ কেজি করে খোয়া রয়েছে। এগুলির সঙ্গে মিষ্টির অন্যান্য উপকরণ মিশিয়ে জেলায় জেলায় সরকার নির্ধারিত মিষ্টি দোকানে তৈরি হবে গজা ও পেঁড়া। আগামী ১৭ জুন থেকে এই প্রসাদ বিতরণ শুরু হবে।

রাজ্যজুড়ে প্রসাদ পৌঁছে দিতে বিশেষ প্যাকেট বানানো হচ্ছে। তাতে থাকবে মন্দিরের ছবি। এই প্রসঙ্গে সম্প্রতি এক সাংবাদিক বৈঠক থেকে রাজ্যের মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেন বলেন, "বাংলার বহু মানুষের সাধ থাকলেও সাধ্য নেই জগন্নাথদেবের মহাপ্রসাদ গ্রহণ করার। সেই ভাবনা থেকেই মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় তা পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। বাংলার প্রতিটি পরিবার এই প্রসাদ পাবে, এটাই সরকারের উদ্দেশ্য।"

খাদ্য দফতরের প্রকল্প 'দুয়ারে রেশন'-এর মাধ্যমেই এই বাক্সগুলি ঘরে ঘরে পৌঁছে দেওয়া হবে। যাঁরা এই রেশন ব্যবস্থার মধ্যে নেই, তাঁদের বাড়িতে প্রসাদ পৌঁছে দিতে আলাদাভাবে বিতরণের পদ্ধতি আগে থেকেই বিডিওদের ঠিক করে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।


```