দ্য ওয়াল ব্যুরো : এতদিন শোনা গিয়েছিল, ভারভারা রাও-সহ ধৃত পাঁচ বুদ্ধিজীবী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে খুনের ষড়যন্ত্রে যুক্ত। দেশ জোড়া প্রতিবাদের মুখে পুণে পুলিশ জানাল, এছাড়া আরও গুরুতর অভিযোগ আছে তাঁদের বিরুদ্ধে। গ্রেফতার করার আগে পুলিশ সাতদিন ধরে গোপনে তাঁদের ওপরে নজর রেখেছিল। তাতেই ধৃতদের বিরুদ্ধে আরও তথ্যপ্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশের কাছে পেশও করা হয়েছে সেই প্রমাণ।
কীসের প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে?
সেকথা স্পষ্ট করে বলছে না পুলিশ। প্রধানমন্ত্রীকে 'খুনের চক্রান্ত ' নিয়েও নতুন কিছু জানাতে পুলিশ অস্বীকার করেছে। তাদের বক্তব্যে ইতিমধ্যে কয়েকটি অসঙ্গতি খুঁজে পেয়েছেন পর্যবেক্ষকরা। পুলিশ আগে বলেছিল, ধৃতরা ভীমা-কোরেগাওঁ অঞ্চলে হিংসায় জড়িত ছিলেন। পরে বলেছে, তাঁরা কীভাবে ভীমা-কোরেগাওঁ অঞ্চলে হিংসায় উস্কানি দিয়েছেন খতিয়ে দেখতে হবে।
পুলিশ জানিয়েছে, ধৃতরা দেশের ৩৫টি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন। তাদের প্রভাবিত করে মাওবাদী আন্দোলনকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। বেশ কয়েকজন প্রফেসরের সঙ্গেও তাঁদের যোগাযোগ আছে। ফেসবুকে ও হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের মাধ্যমে তাঁরা নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ রাখেন।
গৌতম নওলাখার বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে, তিনি কাশ্মীরের নকশালপন্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন। কিন্তু কাশ্মীরে নকশালপন্থীদের কোনও কার্যকলাপ আছে বলে জানা যায়নি। সুধা ভরদ্বাজ ও অরুণ ফেরেইরার বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে, তাঁরা প্রয়োজনে অনেককে আইনি সহায়তা দেন। কিন্তু কাকে আইনি সহায়তা দিয়েছেন পুলিশ বলেনি। তারা জানিয়েছে, ধৃতেরা নিজেদের মধ্যে কোড ল্যাঙ্গুয়েজে কথা বলত। শুধু বুদ্ধিজীবীদের নয়, তাঁদের আত্মীয়স্বজনের ল্যাপটপ ও মোবাইল বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।