দ্য ওয়াল ব্যুরো : সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ী সম্পর্কে কিছু লিখেছিলেন মতিহারি কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক সঞ্জয় কুমার। পড়ে অনেকের মনে হয়েছে, প্রয়াত বাজপেয়ীর সমালোচনাই করেছেন প্রফেসর। সেই 'অপরাধে' তাঁকে চারতলার ফ্ল্যাট থেকে হিড়হিড় করে টেনে আনে একদল দুষ্কৃতী। গায়ে কেরোসিন ঢেলে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করে।
শেষপর্যন্ত অবশ্য পুড়িয়ে মারতে পারেনি। কিন্তু মারধর করে গুরুতর আহত অবস্থায় ফেলে রেখে গিয়েছিল রাস্তায়। প্রথমে তাঁকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। পরে পাটনা এইমসে ট্রান্সফার করা হয়েছে।
সঞ্জয় কুমার দাবি করেছেন, তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় তেমন আপত্তিকর কিছু লেখেননি। আসলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গে তাঁর গোলমাল চলছে। তার জেরেই এই আক্রমণ।
গত ২৯ মে থেকে উপাচার্যের সঙ্গে একদল অধ্যাপকের গোলমাল শুরু হয়। সঞ্জয় কুমার তাঁদের একজন । বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকটি প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে তাঁরা ধর্নায় বসেন। মৃত্যুঞ্জয় যাদব নামে সঞ্জয় কুমারের এক সহকর্মী বলেন, উপাচার্য দাবি করেছিলেন, তিনি জার্মানির এক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি করেছেন। পরে আমরা জানতে পারি, তিনি রাজস্থানের এক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি করেছেন। আমরা তাঁর মিথ্যা ফাঁস করে দিয়েছিলাম। সেই থেকে আমাদের ওপরে তাঁর রাগ ।
বিহারের বিরোধী নেতা তেজস্বী যাদব বলেন, আরএসএসের অনুগত এক ভাইস চ্যান্সেলরের মদতে আরএসএসের গুন্ডারা জনৈক প্রফেসরকে পুড়িয়ে মারতে গিয়েছিল। মুখ্যমন্ত্রীকে এর জন্য জবাবদিহি করতে হবে।