দ্য ওয়াল ব্যুরো : ১৭ জন বিধায়ক বিদ্রোহ করার ফলে কর্ণাটকে কংগ্রেস-জেডি ইউ সরকারের পতন হয়েছিল। বৃহস্পতিবার তাঁদের ১৬ জন যোগ দিলেন বিজেপিতে। এদিনই দল ঘোষণা করল, তাঁদের ১৩ জন আসন্ন উপনির্বাচনে প্রার্থী হবেন। বিদ্রোহীদের বিজেপিতে স্বাগত জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বি এস ইয়েদুরাপ্পা বলেন, তাঁরা বিধায়ক ও মন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন বলেই আমি মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিতে পেরেছি। তাঁরা আগামী দিনেও বিধায়ক ও মন্ত্রী হবেন।
কর্ণাটক বিধানসভার প্রাক্তন স্পিকার বিদ্রোহীদের ডিসকোয়ালিফাই করেছিলেন। তাঁদের ২০২৩ সাল অবধি ভোটে দাঁড়াতে নিষেধ করা হয়েছিল। এই নির্দেশের বিরুদ্ধে বিদ্রোহীরা সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিলেন। সুপ্রিম কোর্টও তাঁদের ডিসকোয়ালিফায়েড বলে ঘোষণা করে। কিন্তু ভোটে দাঁড়ানোর ওপরে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়। তাঁরা ডিসকোয়ালিফাই হওয়ার ফলে যে আসনগুলি শূন্য হয়েছে, সেখানে ভোট হবে আগামী ৫ ডিসেম্বর।
কংগ্রেসের যে বিধায়করা ডিসকোয়ালিফায়েড হয়েছেন, তাঁদের মধ্যে টিকিট পেয়েছেন ১০ জন। তাঁরা হলেন মহেশ কুমাটাল্লি (আথানি কেন্দ্র), শ্রীমন্তগৌড়া পাতিল (কাগওয়াড়), রমেশ জারকিহোলি (গোকাক), শিবরাম হেব্বার (ইয়াল্লাপুর), বি সি পাতিল (হিরেকেরুর), আনন্দ সিং (বিজয়নগর), কে সুধাকর (চিক্কাবল্লাপুরা), বাইরাতি বাসবরাজ (কে আর পুরম), এস টি সোমশেখর (যশবন্তপুর) এবং এম টি বি নাগরাজ (হোসকোটে)।
জেডি এসের প্রাক্তন যে বিধায়করা বিজেপির প্রার্থী হচ্ছেন, তাঁরা হলেন কে গোপালাইয়া (মহালক্ষ্মী লেআউট), এ এইচ বিশ্বনাথ (হুনসুর) এবং কে সি নারায়ণ গৌড়া (কৃষ্ণরাজপেট)।
দু’টি আসনে বিজেপি প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেনি। কর্ণাটকে বিদ্রোহী বিধায়করা ডিসকোয়ালিফায়েড হওয়ায় বিধানসভায় আসন এখন ২০৮। বিজেপির আছে ১০৫ টি আসন। কংগ্রেস-জেডি এস জোটের আছে ১০১ টি আসন। ক্ষমতায় থাকতে হলে বিজেপিকে উপনির্বাচনে অন্তত ছ’টি আসন জিততে হবে।