বেপরোয়া যান চলাচলের জেরে একাধিক দুর্ঘটনা ঘটায় প্রশাসনের কাছে বারবার রাস্তায় স্পিড ব্রেকার তৈরির দাবি জানিয়েছিলেন এলাকাবাসী। কিন্তু অভিযোগ, কোনও পদক্ষেপই করেনি পুলিশ প্রশাসন।

শেষ আপডেট: 13 January 2026 13:43
দ্য় ওয়াল ব্যুরো, বাঁকুড়া: বেপরোয়া বাইকের ধাক্কায় এক গ্রামবাসীর মৃত্যু হতেই ক্ষোভ আছড়ে পড়ল কেঞ্জাকুড়ার সানাবাঁধ গ্রামের রাস্তায়। পুলিশকে ঘিরে শুরু হল তুমুল বিক্ষোভ। রাস্তা কেটে বাম্পার তৈরির চেষ্টা করেন স্থানীয় মানুষজন।
বেপরোয়া যান চলাচলের জেরে একাধিক দুর্ঘটনা ঘটায় প্রশাসনের কাছে বারবার রাস্তায় স্পিড ব্রেকার তৈরির দাবি জানিয়েছিলেন এলাকাবাসী। কিন্তু অভিযোগ, কোনও পদক্ষেপই করেনি পুলিশ প্রশাসন। সোমবার রাতে বেপরোয়া বাইকের ধাক্কায় স্থানীয় এক বাসিন্দার মৃত্যু হতেই গ্রামবাসীদের ক্ষোভ আছড়ে পড়ল রাস্তায়। রাস্তা অবরোধ করে রাস্তা কেটে নিজেরাই স্পিড ব্রেকার তৈরির উদ্যোগ নিলেন বাসিন্দারা। পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে পুলিশকে ঘিরেও শুরু হয় বিক্ষোভ।
সোমবার রাতে স্ত্রী ও মেয়েকে নিয়ে মোপেডে চেপে বাড়ি ফিরছিলেন সব্যসাচী বন্দ্যোপাধ্যায়। পথে বেপরোয়া বাইকের ধাক্কায় ঘটনাস্থলেই মারা যান তিনি। গুরুতর জখম হন তাঁর স্ত্রী ও মেয়ে। এই ঘটনার পর মঙ্গলবার সকালে দুর্ঘটনাস্থলে আছড়ে পড়ে এলাকাবাসীর ক্ষোভ। স্থানীয় বাসিন্দারা গাঁইতি কোদাল নিয়ে রাস্তায় নেমে রাস্তা কেটে বাম্পার তৈরি শুরু করেন। পাশাপাশি শুরু হয় পথ অবরোধ।
খবর পেয়ে বাঁকুড়া সদর থানার পুলিশ ও ট্রাফিক পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। তখন পুলিশকে ঘিরে স্থানীয়দের বিক্ষোভ আছড়ে পড়ে। এলাকায় যানবাহনের গতি নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা করা, মৃতের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ ও স্থানীয় একটি মদের দোকান উচ্ছেদের দাবি তোলেন বিক্ষোভকারীরা। তাঁদের দাবি বেশিরভাগ দুর্ঘটনা ঘটছে মদ্যপ হয়ে গাড়ি চালানোয়। তাই মদের দোকান বন্ধ করে দিতে হবে। তড়িঘড়ি ট্রাফিক পুলিশের তরফে রাস্তায় ব্যারিয়ার দেওয়ার ব্যবস্থা হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।