Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
রহস্য আর মনের অন্ধকারে ঢুকে পড়ল ‘ফুল পিসি ও এডওয়ার্ড’! টিজারে চমকজিৎ-প্রযোজক দ্বন্দ্বে আটকে মুক্তি! ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’-এর মুক্তি বিশ বাঁও জলে?কিউআর কোড ছড়িয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ! কীভাবে রাতারাতি নয়ডার বিক্ষোভের প্ল্যানিং হল, কারা দিল উস্কানি?নয়ডা বিক্ষোভ সামাল দিতে 'মাস্টারস্ট্রোক' যোগী সরকারের! শ্রমিকদের বেতন বাড়ল ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত Jeet: ভুয়ো প্রচার! ভোট আবহে গায়ে রাজনীতির রঙ লাগতেই সরব জিৎ৪ হাজার থেকে নিমেষে ১ লক্ষ ৮৫ হাজার ফলোয়ার! এক স্পেলেই সোশ্যাল মিডিয়ার নতুন তারকা প্রফুল্লসামনে কাজল শেখ, মমতা কথা শুরু করতেই হাত নেড়ে বিরক্তি প্রকাশ অনুব্রতর! সিউড়িতে কী ঘটলEPL: নায়ক ওকাফর! ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ৪৫ বছরের অভিশাপ মুছল লিডস, রক্ষণের ভুলে ডুবল ম্যান ইউAsha Bhosle: 'এত ভালবাসার সবটাই তোমার...,' ঠাকুমার স্মৃতি আঁকড়ে আবেগঘন পোস্ট নাতনি জানাইয়েরSupreme Court DA: ডিএ নিয়ে সময়সীমা বৃদ্ধির আর্জি, বুধবার রাজ্যের মামলা শুনবে সুপ্রিম কোর্ট

এবার সবজিতেও পাওয়া গেল প্লাস্টিক কণা! নতুন গবেষণায় বিশ্ব জুড়ে খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে নতুন আশঙ্কা

ইউনিভার্সিটি অব প্লাইমাউথের সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ন্যানোপ্লাস্টিক কণা (nanoplastic particle) শাকসবজির ভেতরে ঢুকে পড়তে পারে।

এবার সবজিতেও পাওয়া গেল প্লাস্টিক কণা! নতুন গবেষণায় বিশ্ব জুড়ে খাদ্য নিরাপত্তা নিয়ে নতুন আশঙ্কা

ছবি সংগৃহীত

পৃথা ঘোষ

শেষ আপডেট: 21 September 2025 18:55

দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্লাস্টিক দূষণ (Plastic pollution) শুধু সমুদ্র বা বন্যপ্রাণী নয়, এখন সরাসরি আমাদের খাবারেও (plastic in food0 ঢুকে পড়ছে। ইউনিভার্সিটি অব প্লাইমাউথের সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ন্যানোপ্লাস্টিক কণা (nanoplastic particle) শাকসবজির ভেতরে ঢুকে পড়তে পারে। এর ফলে খাদ্য নিরাপত্তা ও মানবস্বাস্থ্য নিয়ে নতুন করে আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

গবেষকরা এক পরীক্ষার জন্য মুলো গাছের ব্যবহার করে দেখান, ন্যানোপ্লাস্টিক কণা গাছের শিকড় থেকে খাওয়ার উপযোগী অংশে পৌঁছে যায়। মাত্র পাঁচ দিন ধরে এক হাইড্রোপনিক পরীক্ষায় (hydroponic test) মুলো গাছে প্লাস্টিক কণা প্রবেশ করানো হলে দেখা যায়, প্রায় ৫% কণা শোষিত হয়েছে। এর মধ্যে এক-চতুর্থাংশ মুলোর খাওয়ার অংশে গিয়ে জমেছে এবং কিছুটা পাতা পর্যন্তও ছড়িয়ে পড়েছে।

গবেষণা দলের প্রধান ড. নাথানিয়েল ক্লার্ক বলেন, “গাছের শিকড়ে ক্যাসপারিয়ান স্ট্রিপ নামক এক ধরনের প্রাকৃতিক ফিল্টার থাকে, যা ক্ষতিকর কণার শোষণ রোধ করে। কিন্তু এবার প্রথমবার প্রমাণ মিলল যে ন্যানোপ্লাস্টিক এতই ক্ষুদ্র যে, এই স্তর পর্যন্ত ভেদ করতে পারে এবং উদ্ভিদের ভেতরে জমা হতে পারে।”

এই গবেষণার মুখ্য উদ্দেশ্য ছিল এটা দেখানো যে শুধুমাত্র মুলো নয়, বিশ্বের নানা ধরনের শাকসবজি ও ফসলেও এই বিপদ থাকতে পারে। এর আগে এই একই গবেষক দল প্রমাণ করেছিলেন, প্লাস্টিক কণা দ্রুত মাছ ও ঝিনুকের শরীরে জমতে পারে। এবার দেখা গেল শাকসবজিও একই চক্রের অংশ হয়ে উঠছে।

গবেষণাটি প্রকাশিত হয়েছে Environmental Research জার্নালে। গবেষকরা বলছেন, খাদ্যচক্রের মাধ্যমে এই ন্যানোপ্লাস্টিক কণা গবাদি পশু বা মানুষের শরীরেও ঢুকে যেতে পারে। যেহেতু এগুলো অতি ক্ষুদ্র (এক সেন্টিমিটারের এক মিলিয়ন ভাগের এক ভাগ), তাই চোখে দেখা বা খাবার থেকে দেখে বেছে বাদ দেওয়া কার্যত অসম্ভব। প্রতিদিন অল্প অল্প করে এই কণা আমাদের শরীরে জমতে পারে, যার দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব এখনও স্পষ্ট নয়।

গবেষণার সিনিয়র লেখক অধ্যাপক রিচার্ড থম্পসন বলেন, “আমরা এর আগে যেখানে যেখানে খুঁজেছি, সেখানেই মাইক্রোপ্লাস্টিক পেয়েছি। এবার প্রথমবার সবজিতেও তা প্রমাণিত হল। গবেষণার এই ফলাফল মানবস্বাস্থ্যের জন্য নতুন সতর্কবার্তা হয়ে দাঁড়াল।”

গবেষকরা মনে করছেন, ভবিষ্যতে বিভিন্ন ফসল ন্যানোপ্লাস্টিক কতটা শোষণ করে, তা আরও বিশদে বোঝা দরকার। এর মধ্যেই এই গবেষণা ইঙ্গিত দিচ্ছে, প্লাস্টিক দূষণ সমুদ্রের বাইরেও ছড়িয়ে পড়ছে এবং আমাদের প্রতিদিনের খাবারের টেবিল পর্যন্ত পৌঁছে যাচ্ছে।


```