Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

ফ্রিজে আগলে রাখা ভ্রুণ থেকে জন্ম নিল ৩০ বছরের সদ্যোজাত

১৯৯২ সালে হিমায়িত করা হয়েছিল ভ্রূণ, ৩১ বছর পর সেই ভ্রূণ থেকেই জন্ম নিল এক শিশু—মেডিক্যাল সায়েন্সে তৈরি হল ইতিহাস।

 

ফ্রিজে আগলে রাখা ভ্রুণ থেকে জন্ম নিল ৩০ বছরের সদ্যোজাত

প্রতীকী ছবি

অন্বেষা বিশ্বাস

শেষ আপডেট: 2 August 2025 13:49

দ্য ওয়াল ব্যুরো: জন্মের দিনেই ইতিহাস গড়ল সে। চিকিৎসা বিজ্ঞানে তৈরি হল নতুন এক দৃষ্টান্ত। আমেরিকার ওহায়ো রাজ্যে জন্ম নেওয়া এক শিশু হয়ে উঠল বিশ্বের সবচেয়ে ‘প্রবীণতম শিশু’, যার ভ্রূণ ফ্রোজেন অর্থাৎ হিমায়িত অবস্থায় রাখা ছিল টানা ৩০ বছরেরও বেশি সময় ধরে।

গত ২৬ জুলাই জন্ম নিয়েছে এই বিশেষ শিশুটি—নাম রাখা হয়েছে থাডিউস ড্যানিয়েল পিয়ার্স। যাকে কোলে পেয়েছেন লিনজি ও টিম পিয়ার্স দম্পতি। কিন্তু এই শিশুর জন্মের গল্পটা রূপকথার চেয়ে কম কিছু নয়।

ঘটনার সূত্রপাত ১৯৯২ সালে। সেবার লিন্ডা আর্চার্ড ও তাঁর স্বামীর IVF পদ্ধতিতে তৈরি করা হয় মোট চারটি ভ্রূণ। এর মধ্যে একটি ব্যবহার করে ১৯৯৪ সালে জন্ম নেয় তাঁদের কন্যা সন্তান। বাকি ভ্রূণগুলি হিমায়িত অবস্থায় সংরক্ষণ করা হয় ভবিষ্যতের জন্য। সময় পেরিয়ে যায়। দাম্পত্য বিচ্ছেদের পর ওই ভ্রূণগুলির আইনি অধিকার পান লিন্ডা। সেসময়ই জানতে পারেন, আমেরিকায় যেমন সন্তান দত্তক নেওয়া যায়, তেমনই নেওয়া যায় ভ্রূণও।

প্রায় তিন দশক পর, ২০২৩ সালে সেই ভ্রূণই পৌঁছয় নিঃসন্তান দম্পতি লিনজি ও টিম পিয়ার্সের কাছে। IVF ক্লিনিকের সাহায্যে সেটি প্রতিস্থাপন করা হয় লিনজির গর্ভে। মাস কয়েক পরেই জন্ম নেয় থাডিউস—যার ভ্রূণের বয়স জন্মের দিনেই ছিল প্রায় ৩১ বছর!

লিন্ডা জানিয়েছেন, নবজাতকের মুখে তাঁর নিজের মেয়ের ছায়া দেখতে পেয়েছেন। একদা যে ভ্রূণ থেকে তাঁর কন্যার জন্ম হয়েছিল, সেই একই উৎস থেকে জন্ম নিয়েছে এই নবজাতক।

লিনজি জানিয়েছেন, তিনিও এবং তাঁর নবজাতক পুত্র উভয়েই সুস্থ রয়েছেন। আর এই বিস্ময়কর IVF সফল করেছে ওহায়োর একটি বিশেষ ক্লিনিক। তার কর্ণধার জন গর্ডন বলেন, “ভ্রূণ সংরক্ষণ করে রাখার পেছনে আমাদের উদ্দেশ্যই ছিল—একদিন যদি তারও পৃথিবীর আলো দেখার সুযোগ হয়।”


```