নিউটনের ভবিষ্যদ্বাণী বলছে, ২০৬০-এ হতে পারে এক ঐতিহাসিক 'রিসেট'। কি সত্যিই আসছেন কোনও নবযুগের বার্তাবাহক? বিজ্ঞান-ধর্ম জড়ানো রহস্য।

আইজ্যাক নিউটন
শেষ আপডেট: 31 July 2025 17:03
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আইজ্যাক নিউটন—যাঁর নামের সঙ্গে গোটা পৃথিবী পরিচিত। গতি ও মহাকর্ষের সূত্র আবিষ্কার থেকে শুরু করে প্রতিবিম্ব দূরবীক্ষণের উদ্ভাবক হিসেবে তাঁর অবদান অমর। কিন্তু বিজ্ঞানীর পাশাপাশি নিউটন ছিলেন এক দার্শনিক ও ধর্মবিশ্বাসী মানুষ। আর সেই কারণেই তিনি একসময় ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন পৃথিবীর ‘শেষ’ সম্পর্কে।
কী বলেছিলেন নিউটন?
১৭০৪ সালে লেখা একটি চিঠিতে নিউটন উল্লেখ করেছিলেন, ২০৬০ সাল হতে পারে পৃথিবীর শেষের সময়। তবে এখানেই চমক—তিনি “end” বা শেষ নয়, “reset” শব্দটি ব্যবহার করেছিলেন। অর্থাৎ হয়তো পৃথিবী ধ্বংস হবে না, বরং এক নতুন যুগে প্রবেশ করবে, ঘটবে এক ঐতিহাসিক পরিবর্তন। তাঁর মতে, ধরাধামে এমন কেউ আসবেন, যিনি নতুন যুগের সূচনা করবেন। যার সময়কাল হবে প্রায় ১০০০ বছরের কাছাকাছি।
বিজ্ঞানের সঙ্গে ধর্মের মেলবন্ধন?
হ্যালিফ্যাক্স বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক স্টিফেন ডি. স্নোবেলেন-এর মতে, নিউটন কখনই বিজ্ঞান ও ধর্মকে আলাদা করে দেখতেন না। বরং তিনি মনে করতেন, মহাবিশ্বের সমস্ত নিয়মই ঈশ্বরের পরিকল্পনার অংশ।
তবে কি সত্যি ধ্বংস হবে?
নিউটনের এই হিসেব নিয়ে বিজ্ঞানীরা নিঃসন্দেহ নন। কারণ এই ভবিষ্যদ্বাণী তাঁর ধর্মীয় বিশ্বাস দ্বারা প্রভাবিত ছিল। তবে বিষয়টি অবশ্যই একটা প্রশ্ন তোলে—২০২৫-এর প্রান্তে দাঁড়িয়ে আমরা কি এক মহাজাগতিক পরিবর্তনের দিকে এগোচ্ছি?