
শেষ আপডেট: 6 June 2023 08:20
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আইআইটি খড়্গপুরের ছাত্র মৃত্যুর ঘটনা এবার নয়া মোড় নিল। ফাইজান আহমেদের মাথায় আঘাতের চিহ্ন মিলেছিল আগেই। এমনকী বুকেও ক্ষত রয়েছে বলে জানা গেছে। ফলে ফাইজানের মৃত্যু আত্মহত্যা নয়, খুন তা একপ্রকার স্পষ্ট। মঙ্গলবার হাইকোর্টে বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার বেঞ্চ, খড়্গপুর আইআইটির ছাত্র মৃত্যুর ঘটনায় রাজ্য পুলিশের সিট গঠনের ইঙ্গিত দিল।
মঙ্গলবার ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞ অজয় গুপ্তার কমিটি আদালতে রিপোর্ট দিয়ে জানায়, ফাইজানকে খুন করা হয়েছে! বিচারপতি মান্থা বলেন, ময়নাতদন্তের প্রথম রিপোর্ট প্রভাবিত করা হয়েছে বলে মনে হয়। কারণ যেভাবে ফাইজানের মাথায় আঘাতের চিহ্ন থাকার পরেও সেটা এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে, তাতে সন্দেহের জায়গা তৈরি হয়েছে।
আদালত আরও বলেছে, বুধবারের মধ্যে তদন্তকারী অফিসার রিপোর্ট সংগ্রহ করবেন। প্রয়োজনে অফিসার এই মামলায় নতুন ধারা যুক্ত করতে পারেন। বিচারপতি মান্থা বলেন, ৩০২ ধারা যুক্ত করার সময় এসে গেছে বলে মনে করে আদালত। যদিও সরকারিভাবে এখনই এই নিয়ে কিছু নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে না বলে সরকারি আইনজীবীকে জানান বিচারপতি।
বিচারপতি আরও বলেন, এবার অভিযুক্তদের চিহ্নিত করার সময় এসেছে। সিএফএসএলের অধিকর্তাকে এক সপ্তাহের মধ্যে ভিসেরা পরীক্ষা করে রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। আগামী শুনানিতে কেস ডায়রি জমা দিতে হবে আদালতে।
বিচারপতি আরও বলেন, ছাত্র মৃত্যুর ঘটনায় দায় এড়াতে পারে না খড়্গপুর আইআইটির কর্তৃপক্ষ। তারাও আংশিক অভিযুক্ত। তাদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। আগামী শুক্রবার এই মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে। হাইকোর্ট সূত্রে খবর, সেদিনই এই ঘটনার তদন্তের জন্য রাজ্য পুলিশের দক্ষ অফিসারদের নিয়ে সিট গঠন করা হবে।
আইআইটি খড়্গপুরের ছাত্রের দেহ তোলা হল কবর থেকে, দ্বিতীয় ময়নাতদন্তে কি সমাধান হবে রহস্যমৃত্যুর