
শেষ আপডেট: 22 May 2023 10:26
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আমতা আদালত হাওড়া জেলার প্রাচীনতম আদালত গুলির মধ্যে অন্যতম। সেখানেই রয়েছে একটি দু-কামরার লাইব্রেরি ঘর। বার লাইব্রেরির এই দুটি ঘরে রয়েছে সিভিল এবং ক্রিমিনাল আইন ও মামলা সংক্রান্ত অজস্র বই, যার অনেকগুলি বর্তমানে দুষ্প্রাপ্য এবং দুর্মূল্য। কিন্তু যত্নের অভাবে সেই লাইব্রেরিই নাকি একেবারে নষ্ট হয়ে যেতে বসেছে। দেওয়াল থেকে খসে পড়েছে পলেস্তারা, চুনের আস্তরণ। এমনকী, ছাদ ফুটো হয়ে জল পড়ছে ভিতরে। ফলে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে বহু গুরুত্বপূর্ণ বই (Amta bar-library in poor condition)।
সপ্তাহখানেক আগেই আমতা আদালত পরিদর্শনে এসেছিলেন হাইকোর্টের বিচারপতির রাজাশেখর মান্থা (Justice Rajasekhar Mantha)। লাইব্রেরির বেহাল অবস্থা অবস্থা ঘুচিয়ে সংস্কারের দাবিতে এবার তাঁর কাছেই দরবার করেছেন আইনজীবীরা।
সূত্রের খবর, দু কামরার ওই বার-লাইব্রেরি বহু পুরনো। সংস্কারের অভাবে ঘর ঘর দুটির অবস্থা বর্তমানে জরাজীর্ণ বললেও কম বলা হয়। জায়গায় জায়গায় চুন-বালি-পলেস্তারা খসে পড়ছে তো বটেই, সেই সঙ্গেই ফুটো হয়ে গেছে ছাদ। চুইয়ে জল পড়ে ভিতরে। বই নষ্ট হয়ে যাওয়া আটকাতে আইনজীবীরা ইতিমধ্যেই পাকা ছাদের উপর টিনের ছাউনি দিয়েছেন। কিন্তু তাতে সমস্যার সমাধান কিছু হয়নি। একটু ঝড় বৃষ্টি হলেই জল জমে যাচ্ছে সেই টিনের শেডে। তারপর তা ফের চুঁইয়ে ঢুকছে ভিতরে। ইতিমধ্যেই নাকি ৮০ শতাংশ বই নষ্ট হয়ে গিয়েছে, দাবি আইনজীবীদের। পূর্ত দপ্তরে বারবার এ বিষয়ে অভিযোগ জানানো সত্ত্বেও কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
তাই একপ্রকার বাধ্য হয়েই হাইকোর্টের বিচারপতি রাজাশেখর মান্থার কাছে লাইব্রেরিটির সংস্কারের দাবি জানানো হয়েছিল বলে জানিয়েছেন আমতা সিভিল বার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি তথা বর্ষীয়ান আইনজীবী সিদ্ধার্থ মজুমদার এবং ক্রিমিনাল বার অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক রমেশ পাল। তাঁরা আরও জানিয়েছেন, বিচারপতি মান্থা আমতা আদালতের বিচারপতিদের দেখতে বলেছেন বিষয়টি।
মদনের পর হাসপাতাল নিয়ে ক্ষোভ শতাব্দীর, ‘বারবার ফোন করেও সদুত্তর পাইনি’