দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনাভাইরাসের সংক্রমণের জেরে দু’মাসের উপর বন্ধ থাকার পরে শুরু হয়েছে ফুটবল খেলা। তবে তাতে অনেক বদল এসেছে। শুধুমাত্র ফুটবলারদের জন্য নয়, বদল আনা হয়েছে রেফারিদের জন্যও। এবার থেকে মাঠে যদি কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে কেশে ফেলেন তাহলে লাল কার্ড দেখাতে পারেন রেফারি, এমনটাই নির্দেশ দিয়েছে ইংল্যান্ড ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন বা এফএ।
জানা গিয়েছে এফএ-র তরফে রেফারিদের স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে মাঠের মধ্যে কোনও ফুটবলার যদি ইচ্ছে করে কোনও কর্তা বা অন্য কোনও ফুটবলারের কাছাকাছি গিয়ে কেশে ফেলেন, তাহলে রেফারি চাইলে ওই ফুটবলারকে সরকারি লাল কার্ড দেখাতে পারেন। এটা সম্পূর্ণ নির্ভর করছে ম্যাচ পরিচালনার দায়িত্বে থাকা অফিসিয়ালদের উপর। তাঁদের ইচ্ছে অনুযায়ীই সব সিদ্ধান্ত নিতে পারেন তাঁরা। রেফারি চাইলে চতুর্থ রেফারি কিংবা ম্যানেজারের সঙ্গে আলোচনা করতে পারেন। কারণ এরপর থেকে কোনও ফুটবলার সরাসরি কাশলে তাকে অশালীন আচরণ, বর্ণবিদ্বেষী মন্তব্যের মতো দোষের অন্তর্গত ধরা হবে।
অবশ্য মাঠে কাশলেই যে সেই ফুটবলারকে লাল কার্ড দেখানো হবে তা নয়। এফএ-র তরফে জানানো হয়েছে, রেফারিকে দেখতে হবে সেই ফুটবলার ইচ্ছে করে কেশেছেন কিনা। যদি সত্যি কারণে কোনও ফুটবলার কেশে থাকেন, অর্থাৎ তা ইচ্ছাকৃত না হয় তাহলে তাঁকে রেফারি লাল কার্ড দেখাবেন না। সেক্ষত্রে তিনি ওই ফুটবলারকে সতর্ক করতে পারেন বা খুব বেশি হলে হলুদ কার্ড দেখাতে পারেন। এছাড়া মাঠের মধ্যে যেখানে-সেখানে থুতু ফেলার ক্ষেত্রেও নিষেধ করা হয়েছে। এরকম কেউ করলে সেক্ষেত্রেও ব্যবস্থা নিতে পারেন রেফারি।
এই নির্দেশ এখন আপাতত শুধুমাত্র এফএ-র তরফে নেওয়া হয়েছে। তবে এরমধ্যেই লা লিগা, সিরি এ কিংবা বুন্দেশলিগাও হয়ে গিয়েছে। সেখানে রেফারিকে এই নির্দেশ না দিলেও ফুটবলারদের বেশ কিছু নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যেমন মাঠের মধ্যে গোল করে ফুটবলারদের উচ্ছ্বাস প্রদর্শনের ক্ষেত্রে সংযত থাকতে বলা হয়েছে। মাঠে দর্শকদের প্রবেশাধিকার নেই। প্রত্যেক টিমের সদস্য সংখ্যাও ২৫ জনের মধ্যে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া বল স্যানিটাইজ করা থেকে শুরু করে প্লেয়ারদের একাধিক স্বাস্থ্যবিধি মানার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তার মাঝেই এবার নির্দেশ এল রেফারিদের উদ্দেশেও।