দ্য ওয়াল ব্যুরো: ফের বাংলার ব্যাটিংকে টেনে তুললেন অনুষ্টুপ মজুমদার। রঞ্জি ট্রফির সেমিফাইনালে কর্ণাটকের বিরুদ্ধে প্রথম ইনিংসে বাংলাকে সম্মানজনক জায়গায় নিয়ে গেল অনুষ্টুপের সেঞ্চুরি। যোগ্য সঙ্গ দিলেন দুই তরুণ শাহবাজ আহমেদ ও আকাশ দীপ। প্রথম দিনের শেষে অপরাজিত রয়েছেন অনুষ্টুপ, যা স্বস্তি দিচ্ছে বাংলাকে।
এদিন ইডেনের সবুজ উইকেটে টসে জিতে বল করার সিদ্ধান্ত নেন কর্ণাটকের অধিনায়ক করুণ নায়ার। বল হাতে এই পিচে প্রথম সেশনে আগুন ঝরালেন কর্ণাটকের পেসাররা। বাংলার টপ অর্ডার সেই পেস সামলাতে ব্যর্থ হল। মাত্র ৬৭ রানের মধ্যে প্যাভিলিয়নে ফিরলেন অভিষেক রমন, অভিমন্যু ঈশ্বরণ, সুদীপ চট্টোপাধ্যায়, অর্ণব নন্দী, মনোজ তিওয়ারি ও শ্রীবৎস গোস্বামী। দেখে মনে হচ্ছিল ১০০ রানের মধ্যেই হয়তো শেষ হয়ে যাবে বাংলার প্রথম ইনিংস।
ঠিক তখনই ত্রাতার ভূমিকায় অবতীর্ণ হলেন সেই অনুষ্টুপ মজুমদার। কোয়ার্টার ফাইনালে তাঁর ১৫৭ রানের দৌলতেই প্রথম ইনিংসে ওড়িশার বিরুদ্ধে ভাল জায়গায় পৌঁছেছিল বাংলা। ফের এদিন সেই কাজটাই করলেন তিনি। টেলএন্ডারদের সঙ্গে পার্টনারশিপ গড়লেন তিনি। তাঁকে সঙ্গ দিলেন শাহবাজ আহমেদ ও আকাশ দীপ। ফের ব্যাট হাতে নিজের কাজ করলেন শাহবাজ।
রান করলেও হাফসেঞ্চুরি করার আগেই আউট হন দু'জনেই। শাহবাজ ৩৫ ও আকাশ দীপ ৪৪ করে আউট হন। কিন্তু অন্যদিকে ধরে ছিলেন অনুষ্টুপ। কোয়ার্টার ফাইনালের পরে সেমিফাইনালেও সেঞ্চুরি এল তাঁর ব্যাট থেকে। ঝকঝকে ১২০ রানের ইনিংস খেললেন তিনি।
প্রথম দিনের খেলা শেষ হওয়ার সময় বাংলার রান ৯ উইকেটে ২৭৫। কোনও রান না করেই অনুষ্টুপের সঙ্গে উইকেটে আছেন ঈশান পোড়েল। দ্বিতীয় দিন বাংলা চাইবে অন্তত ৩০০ রানের গণ্ডি টপকাতে। কারণ বিপক্ষ দলে লোকেশ রাহুল, করুণ নায়ার, মনীশ পাণ্ডেদের মতো জাতীয় দলে খেলা ব্যাটসম্যানরা রয়েছেন। তাই তাঁদের সামনে বোলারদের জন্য কিছু রান রাখতে চাইবে বাংলা।