Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

কলকাতা প্রিমিয়ার লিগে ম্যাচ ফিক্সিংয়ে ‘চৈনিক' যোগ! রহস্যময় ‘বস’-কে ঘিরে ঘনীভূত জল্পনা

কলকাতা ময়দানে এই মুহূর্তে দুটো প্রশ্ন—এই চিনা ‘বস’ আসলে কে? আর কত দূর ছড়িয়েছে ফিক্সিংয়ের জাল?

কলকাতা প্রিমিয়ার লিগে ম্যাচ ফিক্সিংয়ে ‘চৈনিক' যোগ! রহস্যময় ‘বস’-কে ঘিরে ঘনীভূত জল্পনা

গ্রাফিক্স: দিব্যেন্দু দাস

রূপক মিশ্র

শেষ আপডেট: 5 November 2025 12:56

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কলকাতা প্রিমিয়ার লিগে (Kolkata Premier League) আরও গভীর হচ্ছে ম্যাচ–ফিক্সিংয়ের কেলেঙ্কারি। তদন্তে উঠে এসেছে আন্তর্জাতিক যোগসূত্র। কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ জানিয়েছে, এক অজ্ঞাতপরিচয় চিনা নাগরিকই কেলেঙ্কারির মূল হোতা, যিনি স্থানীয় চক্রকে ফাঁদে ফেলে পুরো ঘটনার মোড় পাল্টে দিয়েছেন!

তদন্তে খবর, স্থানীয় ফিক্সাররা বারবার এক অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিকে ‘বস’ বলে উল্লেখ করছিলেন। পুলিশের অনুমান, সেই ব্যক্তি-ই চিনা নাগরিক, যিনি মূলত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ম্যাচের ফলাফল নিয়ন্ত্রণ করতেন। পুলিশের ভাষায়, এই বিদেশি ফিক্সার স্থানীয় সিন্ডিকেটকেও বোকা বানিয়ে এক ম্যাচের ফল উলটে দেন—যে খেলা আগে থেকেই ফিক্স করা হয়েছিল!

এক তদন্তকারী আধিকারিকের কথায়, ‘মানে দাঁড়াচ্ছে, যেখানে আকাশ দাস আর রাহুল সাহা জড়িত, তার বাইরেও আরও একটি চক্র কাজ করছিল। এই বিদেশি ফিক্সার এমন প্রভাবশালী, অন্য দলের ক্ষতি হলেও সে নিজের ইচ্ছায় ফল উলটে দিতে পারত!’

কলকাতার খিদিরপুর স্পোর্টিং ক্লাবের (Kidderpore Sporting Club) টিম ম্যানেজার আকাশ দাস এবং মিডিয়া ম্যানেজার রাহুল সাহাকে রবিবার গ্রেফতার করে পুলিশ। অভিযোগ—কলকাতা প্রিমিয়ার লিগের শীর্ষ স্তরের (Premier Division) একাধিক ম্যাচ ফিক্সিংয়ে জড়িত ছিলেন তাঁরা। ইন্ডিয়ান ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের (IFA) অভিযোগের ভিত্তিতে কয়েক মাস আগে থেকেই তদন্ত শুরু করে পুলিশ। ডিজিটাল নজরদারি ও ফোন ট্যাপিংয়ে একাধিক ক্লাব এবং খেলোয়াড়ের নাম উঠে এসেছে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, অন্তত দুটি ক্লাব ও কয়েকজন ফুটবলার অর্থের বিনিময়ে ম্যাচের ফল নির্ধারণে রাজি হন।

তদন্তকারীদের মতে, এই চক্র সম্পূর্ণভাবে পরিচালিত হত ডিজিটাল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে। আন্তর্জাতিক বেটিং সিন্ডিকেটের সঙ্গে যোগাযোগ ছিল স্থানীয় ফিক্সারদের। লেনদেন হত অনলাইন প্ল্যাটফর্মে। অর্থের পরিমাণ বিপুল।

ম্যাচ ফিক্সিংয়ের পদ্ধতি ছিল পুরনো—খেলোয়াড় ও ক্লাব কর্তাদের ঘুষ দিয়ে আগে থেকেই নির্ধারণ করা হত ম্যাচের ফলাফল। পরে সেই তথ্যের ভিত্তিতে বেটিং বাজারে কোটি টাকার লেনদেন। কলকাতা পুলিশের এক সিনিয়র আধিকারিক বলেন, ‘তদন্ত আপাতত প্রাথমিক পর্যায়ে। বেশ কয়েকজন খেলোয়াড়ের নাম নজরে রয়েছে। আর্থিক লেনদেন ও যোগাযোগের রেকর্ড খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় মামলা রুজু করেছে পুলিশ, সঙ্গে তথ্যপ্রযুক্তি আইন (IT Act)-এর ধারা ৬৬ ও ৪৩ অনুযায়ী অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। আদালতে তোলা হলে পুলিশি হেফাজতের আবেদন জানানো হয়, যাতে চক্রের আন্তর্জাতিক সংযোগের গোটা ছবি সামনে আনা যায়।

যে কারণে কলকাতা ময়দানে এই মুহূর্তে দুটো প্রশ্ন—এই চিনা ‘বস’ আসলে কে? আর কত দূর ছড়িয়েছে ফিক্সিংয়ের জাল?


```