বিয়ে ভাঙার পর প্রথমবার প্রকাশ্যে এলেন স্মৃতি মান্ধানা। ভারতীয় তারকা ব্যাটার জানালেন, ক্রিকেটের চেয়ে বেশি কিছুই ভালবাসেন না।

ছবি - দ্য ওয়াল
শেষ আপডেট: 11 December 2025 12:00
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিয়ে ভেঙেছেন মালাবদলের দিন। দীর্ঘ টালবাহানার পর স্পষ্ট জানিয়েছেন, এ সম্পর্ক তিনি রাখছেন না এবং জীবনে সবচেয়ে প্রথম প্রায়োরিটি ক্রিকেটই। সোশ্যাল মিডিয়ায় স্টোরি দিয়েছেন। এবার প্রথমবার প্রকাশ্যে এলেন স্মৃতি মান্ধানা। ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে সরাসরি কথা না বললেও দিলেন স্পষ্ট ইঙ্গিত। আবারও ক্রিকেটকেই প্রাণের সবচেয়ে গভীরে রাখার কথা জানালেন।
কঠিন সময় পেরিয়ে মাঠে ফিরেছেন স্মৃতি। শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে সামনে ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দলের টি-২০ সিরিজ রয়েছে, সেখানে তিনিই সহ-অধিনায়ক (vice-captain keyword)। ২১ ডিসেম্বর শুরু হচ্ছে। গত ২ নভেম্বর মহিলাদের বিশ্বকাপ (Women’s World Cup keyword) ফাইনালের পর এটাই ভারতের প্রথম দ্বিপাক্ষিক সিরিজ।
এসবের আগে বুধবার ভারতীয় অধিনায়ক হরমনপ্রীত কউরের (Harmanpreet Kaur keyword) সঙ্গে এক অনুষ্ঠানে হাজির হন স্মৃতি। এতকিছুর পর প্রথমবার নিজের মানসিক লড়াই, খেলার প্রতি ভালবাসা এবং দলের মধ্যে মতভেদের প্রসঙ্গে খুলে আলোচনা করেন।
স্মৃতি বলেন, “সত্যি বলতে কী, আমার জীবনে ক্রিকেটের (cricket keyword) মতো আর কিছু নেই। যখন ব্যাট করতে নামি, দেশের হয়ে খেলতে নামি, তখন মাথায় অন্য কোনও চিন্তাই থাকে না। ভারতীয় জার্সি (Indian jersey keyword) গায়ে তুলে নামলে একটাই ভাবনা-দেশকে জেতাতে হবে।”
বিয়ে ভাঙা নিয়ে (called off wedding keyword) পরোক্ষে মন্তব্য করেন। বলেন, “জার্সিতে যখন ‘ইন্ডিয়া’ লেখা থাকে, মনে হয় এত কোটি মানুষের (two billion people keyword) মধ্যে আমিই দেশের প্রতিনিধিত্ব করছি। ফোকাস একটুও এদিক ওদিক হয় না। আর কিছু মাথাতেই থাকে না।”
প্রসঙ্গত, ২৩ নভেম্বর সংগীত পরিচালক পলাশ মুচ্ছলের (Palash Muchhal keyword) সঙ্গে বিয়ের কথা ছিল এই ব্যাটারের। কিন্তু বাবার অসুস্থতার কারণে বিয়ে পিছিয়ে যায়। পরে তাঁদের টিমের তরফে জানানো হয়, ৭ ডিসেম্বর রবিবার তাঁদের বিয়ে হবে। কিন্তু ওইদিনই দুজনের ঘোষণা করেন, এ বিয়ে হচ্ছে না। ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পুরো বিষয়টিতে গোপনীয়তা রক্ষার দাবি জানানো হয়।
ক্রিকেটে ফেরা সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা জীবনের। সেনিয়ে কথা বলার পরই ঢুকে যান দলের মধ্যে মতভেদ বা বিতর্ক (team disagreements keyword) নিয়ে। জানান, তিনি ওগুলোকে ‘ইস্যু’ হিসেবে ধরেন না কারণ প্রত্যেকে দেশের জন্য জিততে চায়। প্রত্যেকের নিজের মতামত থাকে ম্যাচ জেতানোর বিষয়ে। বরং যদি দলের মধ্যে আলোচনা বা তর্ক না হয়, তবে বুঝতে হবে কেউ প্যাশনেট নয়। মাঠে জেতার জন্য মতভেদ থাকা খুবই স্বাভাবিক।
দেশ জিতুক, দল এগিয়ে যাক- এই একমাত্র লক্ষ্য নিয়েই আবার মাঠে ফিরছেন ভারতের অন্যতম সেরা ব্যাটার। ব্যক্তিগত সংকট, মানসিক চাপ, ভেঙে যাওয়া সম্পর্ক-সব পিছনে ফেলে সামনে এখন শুধু ক্রিকেট।