
ফাইল চিত্র
শেষ আপডেট: 13 October 2024 20:11
দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রতিদিন কাজের মাঝে, রাস্তা ঘাটে বহু মানুষের সঙ্গে পরিচয় হয়। কারও ব্যবহার খুব ভাল লাগে, আবার কারও খুব খারাপ। কখনও কখনও সেই খারাপ লাগাটা এতটাই বেড়ে যায় যে, অনেক দিন পর্যন্ত সেই ঘটনা বা কথা মনে থেকে যায়।
অনেকে রয়েছেন যাঁরা কোনও না কোনও ক্ষেত্রে হয়তো প্রতিনিয়ত অপমানিত হচ্ছেন অথচ তাঁর কোনও প্রতিবাদ করতে পারছেন না। দিনের পর দিন এভাবে সহ্য করে কাটিয়ে দিচ্ছেন। এরকম দীর্ঘ দিন ধরে চললে মানুষ বিচার বুদ্ধি হারিয়ে ফেলে। কিন্তু এমনটা কেন হয়? আর উত্তর দেওয়া রয়েছে জ্যোতিষ শাস্ত্রে।
জ্যোতিষ অনুযায়ী, রাহু, কেতু, রবি এই গ্রহগুলির দ্বারা এমন হয়। বার বার মানুষের কাছে অপমানিত হতে হয়। কিন্তু তাও মুখ বুজে সবটা সহ্য করে যান। অপমান বোধ সকলের মধ্যেই থাকে। কারও মধ্যে একটু কম আর কারও মধ্যে প্রবল।
তবে দীর্ঘ দিন একই রকম চলতে থাকলে তা মানসিক স্বাস্থ্যের উপর বিরাট খারাপ প্রভাব ফেলে। মানুষের মাঝে যাওয়ার মতো মনবল হারিয়ে ফেলেন সেই সব ব্যক্তি। এই সমস্যা থেকে বেরিয়ে আসার জন্য কিছু উপাচার রয়েছে, যা পালন করলেই আর কখনও কেউ অপমানের সাহস পাবে না।
উপাচারগুলো কী কী?
জ্যোতিষ শাস্ত্র মনে, প্রতি দিন সকাল বেলা সূর্য প্রণাম করলে সম্মান বৃদ্ধি পাবে। কেউ সহজেই কটু কথা বলতে পারবে না। এর জন্য প্রতি রবিবার নিরামিষ আহারও গ্রহণ করতে হবে। আজীবন না করলেও চলবে। অনন্ত ৫ মাস এটা মেনে চলতে হবে।
আরও একটি উপাচার মানতে হবে, যদি আপমানিত বোধ না করতে চান। পরিষ্কার চারটে সাদা কাপড়ের টুকরো এবং চারটে কয়লার টুকরো নিতে হবে। তার পর সেই সাদা কাপড়ের একটা টুকরো বালিশের নীচে পেতে সারা রাত তাঁর ওপর ঘুমোতে হবে।
এবার সকালে উঠে সেই কাপড়ের মধ্যে একটা কয়লার টুকরো রেখে ভাল ভাবে সেটাকে বেঁধে যে কোনও গাছের তলায় পুঁতে দিলেই ফল পাওয়া যাবে খুব সহজে। এটি পর পর চারটে রবিবার মেনে চলতে হবে। তবে অবশ্যই মনে রাখতে হবে সকালে উঠে কোনও কাজ করার আগে এই কাজটি করে ফেলতে হবে।