
খেলরত্ন পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছে মনু ভাকরের নাম
শেষ আপডেট: 28 December 2024 06:21
দ্য ওয়াল ব্যুরো : সম্প্রতি খেলরত্ন পুরস্কার নিয়ে গরমাগরম আলোচনা শুরু হয়েছে। প্রথমে শোনা গিয়েছিল, প্যারিস অলিম্পিক্সে জোড়া ব্রোঞ্জ পদকজয়ী অ্যাথলিট মনু ভাকরের নাম নাকি এই পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন করা হয়নি। যদিও পরবর্তীকালে সেই সমস্যার সমাধান হয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে অনেকের মনে প্রশ্ন জাগতে শুরু করেছে, মেজর ধ্যানচাঁদ খেলরত্ন পুরস্কার অর্জন করতে গেলে খেলার দুনিয়া কোন কোন যোগ্যতার প্রয়োজন হয়? আসুন, সেই ব্যাপারেই আলোচনা করা যাক।
১৯৯১-৯২ সালে ভারতে খেলরত্ন পুরস্কার প্রদান শুরু হয়েছিল। এটা দেশের সর্বোচ্চ ক্রীড়া সম্মান। আন্তর্জাতিক স্তরে অসাধারণ পারফরম্যান্সের কারণে এই পুরস্কার দেওয়া হয়ে থাকে। প্রথমে এই পুরস্কার দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর নামে দেওয়া হত। পরে এই নাম বদলে মেজর ধ্যানচাঁদ খেলরত্ন পুরস্কার করা হয়েছে।
খেলরত্ন পুরস্কার অর্জনের জন্য অন্তত বিগত ৪ বছরের পারফরম্যান্স দেখা হয়। ভারতে প্রথমবার এই পুরস্কার অর্জন করেছিলেন চেস গ্র্যান্ডমাস্টার বিশ্বনাথন আনন্দ। এরপর একে একে মেরি কং, পিভি সিন্ধু, সাইনা নেহওয়াল, বিজেন্দর সিং, সচিন তেন্ডুলকর এবং বিরাট কোহলিরা এই পুরস্কার অর্জন করেন। ২০০৮ সালে আয়োজিত বেজিং অলিম্পিক্সে প্রথম ব্যক্তিগত সোনা অর্জনের জন্য পিস্তল শ্যুটার অভিনব বিন্দ্রা সর্বকনিষ্ঠ অ্যাথলিট হিসেবে এই পুরস্কার অর্জন করেছিলেন। ২০০১ সালে যখন তিনি এই পুরস্কার অর্জন করেন, সেইসময় তাঁর বয়স ছিল মাত্র ১৮ বছর।
তবে শুধুমাত্র পারফরম্যান্সই নয়, এই ৪ বছরে কোনও ডোপ বিরোধী এজেন্সির আওতায় ওই অ্যাথলিটের নাম এসেছে কি না, সেটাও খতিয়ে দেখা হয়। যদি একবারও ডোপ বিরোধী এজেন্সির খাতায় নাম উঠে যায়, তাহলে এই পুরস্কারের যোগ্যতা তিনি আর অর্জন করতে পারবেন না।