Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

ইতিহাস গড়েন নেপালের প্রথম মহিলা প্রধান বিচারপতি হিসেবে, জার্নিটা মোটেও সহজ ছিল না সুশীলা কার্কির

নেপালের প্রথম মহিলা প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কি ইতিহাস গড়েছিলেন দুর্নীতির বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থান নিয়ে। জেন জেডের আন্দোলনের পর অন্তর্বর্তী সরকারের নেতৃত্বে আসা তাঁর পথচলা মোটেও সহজ ছিল না।

ইতিহাস গড়েন নেপালের প্রথম মহিলা প্রধান বিচারপতি হিসেবে, জার্নিটা মোটেও সহজ ছিল না সুশীলা কার্কির

সুশীলা কার্কি

গার্গী দাস

শেষ আপডেট: 10 September 2025 20:11

দ্য ওয়াল ব্যুরো: নেপালের অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব নিলেন প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি সুশীলা কার্কি। দেশের প্রথম ও একমাত্র মহিলা প্রধান বিচারপতি এবার বিক্ষুব্ধ জেন জি তরুণদের পছন্দে দেশের নেতৃত্বে এলেন। সাম্প্রতিক বিদ্রোহে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি পদচ্যুত হওয়ার পর ভার্চুয়াল বৈঠকে ভোটাভুটিতে কার্কি পান ৩১ শতাংশ সমর্থন। খুব সামান্য ব্যবধানে তিনি এগিয়ে যান কাঠমান্ডুর মেয়র বালেন শাহর থেকে, যিনি পেয়েছেন ২৭ শতাংশ ভোট।

কার্কির আইনজীবী হিসেবে পথচলা শুরু হয়েছিল ১৯৭৯ সালে, বিরাটনগরে। ধাপে ধাপে তিনি সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি হন ২০০৯ সালে। ২০১৬ সালে নেপালের প্রথম মহিলা হিসেবে প্রধান বিচারপতির আসনে বসেন। সেই সময় নেপালের রাষ্ট্রপতি, সংসদের স্পিকার এবং প্রধান বিচারপতি, তিনটি শীর্ষ পদেই ছিলেন মহিলা।

দুর্নীতির বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করে একাধিকবার শিরোনামে উঠেছেন। একটি মামলায় কার্কি তৎকালীন মন্ত্রী জয়া প্রকাশ গুপ্তকে দোষী সাব্যস্ত করে কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছিলেন। এই রায়ে দেশজুড়ে সাড়া ফেলে সেসময়।

শিক্ষাজীবনও কম উজ্জ্বল ছিল না। ১৯৭৫ সালে বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পলিটিক্যাল সায়েন্সে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি পান। ১৯৭৮ সালে ত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনের স্নাতক হন। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, 'এই বিশ্ববিদ্যালয়েই তিনি নাচ শিখেছিলেন। পড়াশোনার পাশাপাশি নাচের প্রতি তাঁর ভালবাসা একসময় জীবনের বড় অংশ হয়ে উঠেছিল।'

তবে কর্মজীবন একসময় ঘূর্ণিঝড়ের মতো চাপ এনেছিল তাঁর ওপর। ২০১৭ সালে ক্ষমতাসীন জোট কার্কির বিরুদ্ধে অভিশংসনের প্রস্তাব আনে। অভিযোগ ছিল, পুলিশ প্রধানের নিয়োগে তিনি পক্ষপাতিত্ব করেছেন এবং বিচারপতির সীমা ছাড়িয়ে গেছেন। প্রবল রাজনৈতিক চাপে পড়েও তিনি আপস করেননি। স্বাধীন বিচারব্যবস্থা ও সংস্কারের পক্ষে নিজের অবস্থান ধরে রেখেছিলেন শেষ পর্যন্ত।

কেন জেন জেড প্রজন্ম কার্কিকে বেছে নিল?

আন্দোলনের মূল সুরই ছিল দুর্নীতি, স্বজনপোষণ এবং সরকারি সেন্সরশিপের বিরুদ্ধে ক্ষোভ। তাঁদের অভিযোগ ছিল, দুর্নীতি ঢাকতেই না কি সোশ্যাল মিডিয়া ব্যান করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কার্কির দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর মনোভাব এবং আপসহীন ভাবমূর্তিই হয়তো তাঁকে সকলের পছন্দের তালিকায় জায়গা করে দিয়েছে।
 


```