Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশুবার্নল-বোরোলিন বিতর্ক, ‘লুম্পেনদের’ হুঁশিয়ারি দিয়ে বিপাকে ডিইও, কমিশনকে কড়া চিঠি ডেরেক ও’ব্রায়েনেরভাঁড়ে মা ভবানী! ঘটা করে বৈঠক ডেকে সেরেনা হোটেলের বিলই মেটাতে পারল না 'শান্তি দূত' পাকিস্তান

কার্ফুর মধ্যেই নেপালে আটকে ৪০০-রও বেশি ভারতীয়, বিশেষ বিমান পাঠিয়ে উদ্ধারের ভাবনা কেন্দ্রের

গোটা দেশ কার্যত সেনার অধীনে চলে এসেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দেশ জুড়ে কার্ফু জারি করা হয়েছে সেনার তরফে।

কার্ফুর মধ্যেই নেপালে আটকে ৪০০-রও বেশি ভারতীয়, বিশেষ বিমান পাঠিয়ে উদ্ধারের ভাবনা কেন্দ্রের

ফাইল ছবি

সৌভিক বন্দ্যোপাধ্যায়

শেষ আপডেট: 10 September 2025 19:03

দ্য ওয়াল ব্যুরো: নেপালের (Nepal) অশান্ত পরিস্থিতির জেরে কাঠমান্ডু বিমানবন্দরে (Kathmandu Airport) আটকে রয়েছেন ৪০০-রও বেশি ভারতীয় নাগরিক (Indians)। তাঁদের দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য এ বার বিশেষ বিমানের (Special Plane) ব্যবস্থা করতে চলেছে ভারত। প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও যাতে দ্রুত ও সুষ্ঠুভাবে ফেরানো যায়, তা নিশ্চিত করতে দিল্লি ও কাঠমান্ডুর মধ্যে তৎপরতা শুরু হয়েছে।

সূত্রের খবর, ভারতীয় বায়ুসেনার বিমান পাঠানোর পরিকল্পনা চলছে। এর জন্য নেপালি সেনার (Nepali Army ) সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করছেন কাঠমান্ডুতে ভারতীয় দূতাবাসের আধিকারিকেরা। লজিস্টিকস ও যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই এই মুহূর্তে প্রধান লক্ষ্য।

বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, গোটা পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখা হচ্ছে। ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে আটকে পড়া নাগরিকদের দ্রুত ফেরানোর ব্যবস্থা করা হবে। ইতিমধ্যেই দুই দেশ যৌথভাবে পরিকল্পনা এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

এদিকে, গোটা দেশ কার্যত সেনার অধীনে চলে এসেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে দেশ জুড়ে কার্ফু জারি করা হয়েছে সেনার তরফে।

সোমবার সকাল থেকেই আতঙ্কে বহু ভারতীয় সীমান্ত পেরিয়ে দেশে ফিরছেন। নেপালের দিকে কাকারভিটা এবং বিরাটনগর সীমান্ত দিয়ে বিক্ষোভকারীরা রাস্তা অবরোধ করে এবং যানবাহনে আগুন ধরিয়ে দেওয়ায় নিরাপত্তার স্বার্থে সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে পণ্যবাহী ট্রাক চলাচল।

বুধবার সীমান্তের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে পৌঁছন ADG (কাউন্টার ইনসার্জেন্সি ফোর্স) অজয় নন্দ, DIG (SSB) মঞ্জিত সিং এবং দার্জিলিং জেলার পুলিশ সুপার প্রবীণ প্রকাশ। গোটা পরিস্থিতির ওপর নজর রাখছেন উত্তরবঙ্গের আইজি রাজেশ কুমার যাদব।

বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে এডিজি সংবাদমাধ্যমে বলেন, কতজন ভারতীয় এখনও পর্যন্ত নেপালে আটকে রয়েছেন সে বিষয়ে তাঁদের হাতে পোক্ত কোনও তথ্য নেই। সংখ্যা ৩০০ বা তার বেশি হতে পারে। তবে বেশিরভাগের সঙ্গেই যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। তাঁরা আশা করেন, নেপালের পরিস্থিতি খুব তাড়াতাড়ি শান্ত এবং স্বাভাবিক হবে। তারপর আলোচনা করে আটকে পড়া ভারতীয়দের ফিরিয়ে আনা সম্ভব হবে।

এখন জেন জি গোষ্ঠী দাবি করেছে, নেপালে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন ‘ছিনতাই’ করে অশান্তি পাকিয়েছে ‘বহিরাগতরা’। গোষ্ঠীর দাবি, গত দুদিন ধরে যে ভাঙচুর, অগ্নিকাণ্ড, লুটতরাজসহ ধ্বংসাত্মক কাজ চলছে তার সঙ্গে আন্দোলনকারীদের কোনও সম্পর্ক নেই। তাদের অভিযোগ, আন্দোলনে বাইরে থেকে ঢুকে পড়া সুবিধাবাদী শ্রেণির লোকজন জেন জি-র মুখে কাদা মাখাতে এসব হিংসা ও ধ্বংস চালাচ্ছে।


```