
শেষ আপডেট: 22 August 2023 10:38
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বছর ভর ঠিকমতো পড়াশোনা করেনি। পাস করবে কিনা সেটুকু নিয়ে সন্দেহ পর্যন্ত নেই, কারণ নিজেরাও জানে পাস করার মত পড়াশোনা করেনি তারা। তাই শিক্ষকদের দয়া-দাক্ষিণ্যই ভরসা। পরীক্ষার খাতাতেই উত্তরের বদলে রাখা থাকে টাকা। সঙ্গে পরীক্ষকের উদ্দেশে নোট, 'দয়া করে পাশ করিয়ে দেবেন।'
বাংলা হোক কিংবা ভারতের অন্যান্য রাজ্য, স্কুল কলেজের পড়ুয়াদের পাস করিয়ে দেওয়ার জন্য এমন অভিনব পদ্ধতিতে শিক্ষকদের ঘুষ দেওয়ার রীতি মোটামুটি সুবিদিত। যেসব শিক্ষক শিক্ষিকারা নিয়মিত পড়ুয়াদের পরীক্ষার খাতা চেক করেন, তাঁদের অনেকেরই এই অভিজ্ঞতা হয়েছে। সম্প্রতি তেমনই একটি 'ঘুষ' এর ছবি নেট মাধ্যমে শেয়ার করেছেন আইপিএস অফিসার (IPS officer) অরুণ বোথরা। সেই ছবিতে দেখা যাচ্ছে, বিছানার চাদরের উপর ছড়িয়ে ছিটিয়ে রাখা রয়েছে বেশ কয়েকটি ১০০, ২০০ এবং ৫০০ টাকার নোট। জানা গেছে, ছাত্রছাত্রীরা উত্তরপত্রের মধ্যে এভাবেই টাকা রেখে পাস করিয়ে দেওয়ার করুণ আর্তি জানিয়েছেন শিক্ষকের কাছে। তেমনই একজন শিক্ষক ছবিটি তাঁকে পাঠিয়েছেন বলে জানিয়েছেন অরুণ।
https://twitter.com/arunbothra/status/1693466340647129290?ref_src=twsrc%5Etfw%7Ctwcamp%5Etweetembed%7Ctwterm%5E1693466340647129290%7Ctwgr%5E851b73a25a79b03137952debed3b197280131013%7Ctwcon%5Es1_&ref_url=https%3A%2F%2Fwww.ndtv.com%2Foffbeat%2Fbureaucrat-shares-pic-of-money-kept-by-students-in-answer-sheets-4317945
বস্তুতই, সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থার শোচনীয় অবস্থা ফুটে উঠেছে এই পোস্টে। অরুণের সেই পোস্ট নেট মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে গেছে, ইতিমধ্যেই। নেটিজেনদের অনেকেই এই ঘটনাকে দুর্ভাগ্যজনক বলে আখ্যা দিয়েছেন। কেউ কেউ আবার তাঁদের সঙ্গে হওয়া একই অভিজ্ঞতার কথা ভাগ করে নিয়েছেন।
একজন লিখেছেন, 'যখন আমি খাতা দেখতাম তখন অন্তত ৩ বার এই জিনিস ঘটেছে। আমার সহকর্মীদের সঙ্গে ২০ বছর আগেও এই জিনিস হয়েছে। সাধারণত একটা দুঃখের ঘটনা লিখে তার সঙ্গে টাকা ঢুকিয়ে দেয় এরা। বলা বাহুল্য, এরকম ছাত্রছাত্ৰীরা পাশ করতে পারে না।'
অন্য একজন লিখেছেন, 'আমাদের সময় খাতার ভিতর টাকা গুঁজে দিত না। তার বদলে ফোন নম্বর লিখে দিত। ফোন করলেই পাশ করিয়ে দেওয়ার বিনিময়ে অনেক অনেক টাকা দেওয়ার লোভ দেখাত।'
'এটি শিক্ষা ব্যবস্থার করুণ ছবি তুলে ধরে। তারা জানে যে 'টাকা' আমাদের দেশে অনেক কাজ সম্পন্ন করতে পারে এবং দুর্ভাগ্যবশত তারা সম্পূর্ণ ভুল নয়,' মন্তব্য তৃতীয় একজনের।
ভাইস চেয়ারম্যান মেরেছেন! বিধানসভায় মন্ত্রীর কাছে পদত্যাগ টাকির পাঁচ কাউন্সিলরের