টিন্ডারের অভ্যন্তরীণ রিপোর্ট বলছে, ২০২৫ সালে এই প্ল্যাটফর্মে পাঠানো প্রথম মেসেজগুলির অন্তত ২০ শতাংশে ব্যবহার করা হয়েছে এক বা একাধিক ইমোজি।

প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 17 July 2025 12:20
দ্য ওয়াল ব্যুরো: এখন আর প্রেমে পড়ার প্রথম ধাপ শুরু হয় না শুধু কথায়। শুরু হয় এক টুকরো ছবি, মানে ইমোজিতে! প্রেমের ক্ষেত্রে ইমোজির গুরুত্ব যে ক্রমেই বাড়ছে, তা একদম স্পষ্ট করে জানিয়ে দিল জনপ্রিয় ডেটিং অ্যাপ টিন্ডার। বিশ্ব ইমোজি দিবস উপলক্ষে প্রকাশ পেল এক বিশেষ রিপোর্ট, যেখানে উঠে এসেছে কোন ইমোজি আপনাকে প্রেমের রাস্তায় এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে, আর কোনটা আপনার সম্ভাব্য সম্পর্ককে পাঠিয়ে দিতে পারে গোল্লায়।
টিন্ডারের অভ্যন্তরীণ রিপোর্ট বলছে, ২০২৫ সালে এই প্ল্যাটফর্মে পাঠানো প্রথম মেসেজগুলির অন্তত ২০ শতাংশে ব্যবহার করা হয়েছে এক বা একাধিক ইমোজি। জেন জি ও মিলেনিয়ালরা নিজেদের মনের ভাব, উদ্দেশ্য এবং সংযোগ গড়ে তোলার জন্য প্রোফাইল বায়োতে ইমোজির সাহায্য নিচ্ছেন, যা ক্রমেই বাড়ছে।
জেন জি বনাম মিলেনিয়ালস, কোন ইমোজি কার পছন্দ?
ভারতে টিন্ডার ব্যবহারকারী জেন জি প্রোফাইল বায়োতে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করেন, হার্ট (লাল হৃদয়), চোখ মারা মুখ, এবং ঝকঝকে স্পার্কল ইমোজি।
অন্যদিকে, মিলেনিয়ালরা বেশি ব্যবহার করেন হার্ট ইমোজি, চোখ মারা মুখ এবং হাসিমুখ যার চোখও হাসছে এমন ইমোজি। এর মাধ্যমেই তৈরি হচ্ছে ছেলেমেয়েদের সংযোগের সেতু।
কোন ইমোজি পাঠালেই 'ঘোস্টিং' বোঝায়?
তবে সব ইমোজিই কিন্তু সম্পর্ককে এগিয়ে নিয়ে যায় না। টিন্ডার বলছে, এমন কিছু ইমোজি রয়েছে যেগুলো পাঠানোর পরই বিপদ ঘটে, বিপরীত পক্ষ হয় অস্বস্তিতে পড়ে, নয়তো চুপ করে যায় একেবারে।
বিশ্ব ইমোজি দিবসে টিন্ডারের এই তথ্য বলছে, আজকের তরুণ প্রজন্ম ভালবাসা, আকর্ষণ কিংবা বন্ধুত্বের ইঙ্গিত দিতে রীতিমতো নির্ভর করছে এই ছোট ছোট ডিজিটাল ছবির উপর। কে জানে, হয়তো একটা চোখ মারা ইমোজি থেকেই শুরু হয়ে যেতে পারে কারও জীবনের সবচেয়ে সুন্দর অধ্যায়টা।