চণ্ডীগড়ের এই ৫২ বছরের মহিলার জেদ ও লড়াই এখন হাজারো মানুষের অনুপ্রেরণা।

ফাইল চিত্র
শেষ আপডেট: 7 December 2025 11:08
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শারীরিক প্রতিবন্ধকতা বা বয়স কোনও কিছুই তাঁর ইচ্ছাশক্তির পথে বাধা হতে পারেনি। চণ্ডীগড়ের ৫২ বছর বয়সী বীণা দেবীর অদম্য জেদ এবং হাসি-খুশি মুখে কাজ করার স্পৃহা এখন সামাজিক মাধ্যমে হাজার হাজার মানুষের অনুপ্রেরণা। শারীরিক দুর্বলতা সত্ত্বেও তিনি লাঠিতে ভর দিয়ে স্কুটার চালিয়ে দ্রুত ডেলিভারি প্ল্যাটফর্ম জেপ্টো (Zepto)-এর পণ্য পৌঁছে দিচ্ছেন।
মডেল মল্লিকা অরোরা বীণা দেবীর এই কাজ করার মুহূর্তটি ভিডিও করে সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করলে তা দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়। ভিডিওর ক্যাপশনে মল্লিকা লেখেন, বীণা দেবী ৫০% পক্ষাঘাতগ্রস্ত (paralysed)। এত কিছুর পরেও তাঁর মুখে লেগে থাকে এক মিষ্টি হাসি এবং তিনি পূর্ণ উদ্যমে কাজ করে চলেছেন।
মল্লিকা অরোরার বলেন, "আজ আমি ৫২ বছর বয়সী এক জেপ্টো ডেলিভারি লেডিকে দেখলাম... ৫০% পক্ষাঘাতগ্রস্ত, তবুও হাসিমুখে পূর্ণ উদ্যমে কাজ করছেন। সেই মুহূর্তে উপলব্ধি করলাম কিছু মানুষ শুধু বেঁচে থাকে না, তারা প্রতিদিন লড়াই করে।"
মল্লিকার এই ভিডিওটি মুহূর্তেই ৩১,২০০-এর বেশি লাইক এবং শত শত মন্তব্য পেয়েছে। অনেকে বলেছেন, "তিনি শুধু অর্ডার ডেলিভারি করেননি... তিনি অনুপ্রেরণা ডেলিভারি করেছেন।"
জানা গিয়েছে, বীণা দেবী গত বছরের জুন মাস থেকে জেপ্টোর সঙ্গে যুক্ত আছেন। তাঁর অদম্য সাহস এবং কাজের প্রতি নিষ্ঠার প্রশংসা করে জেপ্টোর অফিসিয়াল ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকেও প্রতিক্রিয়া জানানো হয়েছে, যেখানে তারা লিখেছেন, "তাঁর জন্য গর্বিত।"
জেপ্টোর এমন উদ্যোগের প্রশংসা করে মল্লিকাও উত্তর দিয়েছেন, "আপনাদের মতো প্ল্যাটফর্ম কঠোর পরিশ্রমী মানুষদের সুযোগ দেয়, যেমন ইনি, যা আমার হৃদয় ছুঁয়ে গেছে। কৃতজ্ঞ।" যাঁরা তাঁকে সাহায্য করতে চান, তাঁদের কাছে বীণা দেবীর একটাই আর্জি, "শুধু তাঁকে সমর্থন করে যান।"
বীণা দেবীর এই গল্পটি সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। নেটিজেনরা তাঁর সাহসের প্রশংসা করছেন। একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন: "বীণা দেবী জি, আপনি অনেকের কাছেই এক অনুপ্রেরণা!" অন্য একজন মন্তব্য করেছেন, "ইনি সত্যিই অনুপ্রেরণা। তাঁর হাসিটি আমার মন গলিয়ে দিল।"