‘পুকি’ প্রফেসরের প্রশংসায় ভেসেছেন অনেকেই। ভিডিওটি ২ মিলিয়নেরও বেশি ভিউস পেয়েছে। কমেন্ট বক্সে উপচে পড়েছে হাসি, মজার কথোপকথন।

শেষ আপডেট: 17 July 2025 20:41
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আইআইটি সমাবর্তনের মঞ্চ মানেই দেশের সেরা প্রতিভাদের মেলা। এখান থেকেই তাঁরা ছড়িয়ে পড়বেন দেশের নানা প্রান্তে, বিদেশেও। এখানেই কলেজজীবনের শেষ, আর এখান থেকেই আসল জীবনের শুরু। কিন্তু এইবার ডিগ্রি হাতে তুলে দেওয়ার মুহূর্তে এক অন্যরকম, মজার ঘটনার সাক্ষী থাকল আইআইটি রোপারের সমাবর্তন মঞ্চ, সারা সেমিনার হল জুড়ে উঠল হাসির রোল।
সোশ্যাল মিডিয়ায় আইআইটি রোপারের সমাবর্তনের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে। ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে সেটি। সেখানে দেখা যাচ্ছে, মঞ্চে ডিগ্রির সম্মাননা নিতে উঠেছেন এক ছাত্র। প্রফেসরের হাত থেকে ডিগ্রি নিলেন ছাত্র। হাসিমুখ দু’জনের। ছবি উঠছে, হঠাৎ পড়ুয়া কিছু বললেন, ঘাড় নেড়ে সায় দিলেন প্রফেসর। পরমুহূর্তেই কুর্তার পকেট থেকে কালো সানগ্লাস বার করে চোখে লাগালেন তিনি। আবার ছবির জন্য পোজ দিলেন।
ঘটনার কিন্তু এখানেই শেষ নয়। একপ্রস্থ ছবি ওঠার পর ছাত্রটি প্রফেসরকেও অনুরোধ করেন, কালো সানগ্লাস পরার। সবাইকে অবাক করে দিয়ে তিনি রাজিও হয়ে যান। সঙ্গে সঙ্গে নিজের চশমা খুলে ছাত্রের দেওয়া সানগ্লাস পরে নেন। তা দেখে মুচকি হাসি থেকে শুরু হয়ে তা ছড়িয়ে পড়ে গোটা হল জুড়ে।
মঞ্চে বসে থাকা বাকি গণ্যমান্য ব্যক্তি থেকে সঞ্চালক, প্রফেসর, ছাত্রছাত্রী সবাই হাসতে শুরু করেন।
এই ভিডিওটি সোশ্যাল মিডিয়ায় আসার পর সঙ্গে সঙ্গে ভাইরাল হয়ে যায়। এখন ২ মিলিয়নেরও বেশি ভিউস পেয়েছে। কমেন্ট বক্সে উপচে পড়েছে হাসি, মজার কথোপকথন। ‘পুকি’ প্রফেসরের প্রশংসায় ভেসেছেন অনেকেই। কেউ লিখেছেন, ‘এমন প্রফেসর যেন সব জায়গায় থাকে’, আবার কেউ লিখেছেন ‘কুল প্রফেসর-স্টুডেন্ট মুহূর্ত একেই বলে।’
একজন লিখেছেন, ‘আমার দেখে ভাল লাগল যে, ছাত্রটি কোনও ‘সিন ক্রিয়েট’ ক্রার আগে প্রফেসরের অনুমতি অন্তত নিলেন’, আরও একজন মজা করে বলছেন, ‘গুরুজি ১৯৪৭-এ জন্মালেও বাস করছেন ২০৫০-এ।’ চেনা কারও বক্তব্য, ‘প্রফেসর রাজীব আহুজা ভীষণই ‘চিল’ একজন মানুষ।’
কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়ায় যখন ভাইরাল হয়েছে, নেটিজেনদের নানা মন্তব্যই আসবে, সেটাই স্বাভাবিক। একজন যেমন লিখেছেন, ‘প্রফেসরদের পা ছুঁয়ে প্রণাম করা কি এখন সিলেবাসের বাইরে চলে গেছে?’
যে যাই বলুক, সকলের সব মন্তব্য ছাপিয়ে এই ভিডিও যে নেটপাড়ার সিংহভাগ মানুষের মন ছুঁয়েছে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।