Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
কিউআর কোড ছড়িয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ! কীভাবে রাতারাতি নয়ডার বিক্ষোভের প্ল্যানিং হল, কারা দিল উস্কানি?নয়ডা বিক্ষোভ সামাল দিতে 'মাস্টারস্ট্রোক' যোগী সরকারের! শ্রমিকদের বেতন বাড়ল ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত Jeet: ভুয়ো প্রচার! ভোট আবহে গায়ে রাজনীতির রঙ লাগতেই সরব জিৎ৪ হাজার থেকে নিমেষে ১ লক্ষ ৮৫ হাজার ফলোয়ার! এক স্পেলেই সোশ্যাল মিডিয়ার নতুন তারকা প্রফুল্লসামনে কাজল শেখ, মমতা কথা শুরু করতেই হাত নেড়ে বিরক্তি প্রকাশ অনুব্রতর! সিউড়িতে কী ঘটলEPL: নায়ক ওকাফর! ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ৪৫ বছরের অভিশাপ মুছল লিডস, রক্ষণের ভুলে ডুবল ম্যান ইউAsha Bhosle: 'এত ভালবাসার সবটাই তোমার...,' ঠাকুমার স্মৃতি আঁকড়ে আবেগঘন পোস্ট নাতনি জানাইয়েরSupreme Court DA: ডিএ নিয়ে সময়সীমা বৃদ্ধির আর্জি, বুধবার রাজ্যের মামলা শুনবে সুপ্রিম কোর্টনির্বাচকদের শর্টলিস্টে বৈভব! আয়ারল্যান্ড সফরে যাওয়ার জোর সম্ভাবনা, ভাঙতে পারেন সচিনের রেকর্ডIPL 2026: ‘কাছের অনেককে বলেছিলাম, বৈভবকে প্রথম বলে আউট করব!’ কথা দিয়ে কথা রাখলেন প্রফুল্ল

রাজীব গান্ধীর ৩৩-তম মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা জানালেন মোদী, রাহুল, সনিয়া, মমতা

পাপা, আপকে স্বপ্নে, মেরে স্বপ্নে...লিখলেন রাহুল গান্ধী

রাজীব গান্ধীর ৩৩-তম মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা জানালেন মোদী, রাহুল, সনিয়া, মমতা

ফাইল ছবি

শেষ আপডেট: 21 May 2024 18:20

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধীর মৃত্যুদিবসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, পুত্র রাহুল গান্ধী, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়সহ দেশের তাবড় নেতানেত্রীরা শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। ১৯৯১ সালের ২১ মে তামিলনাড়ুর শ্রীরামপেরামবুদুরে একটি নির্বাচনী জনসভায় নৃশংসভাবে হত্যা করা হয় রাজীব গান্ধীকে। তৎকালীন লিবারেশন অফ তামিল ইলমের জঙ্গিরা (এলটিটিই) ছক কষে হত্যা করে তাঁকে।

প্রধানমন্ত্রী মোদী, কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে, রাজীব-জায়া সনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী, প্রিয়ঙ্কা গান্ধী মঙ্গলবার সকালে দিল্লির বীরভূমিতে গিয়ে রাজীব গান্ধীর ৩৩-তম মৃত্যুবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। সেখানেই তাঁকে শ্রদ্ধা জানান পি চিদম্বরম এবং শচীন পাইলটের মতো নেতারাও।

এদিন সকালে রাহুল গান্ধী একটি এক্সবার্তায় লিখেছেন, পাপা, আপকে স্বপ্নে, মেরে স্বপ্নে, আপকে আকাঙ্ক্ষায়েঁ, মেরি জিম্মেদারিয়াঁ। আপকি ইয়াদেঁ, আজ অউর হামেশা, দিল মে সদা। মল্লিকার্জুন খাড়্গে লিখেছেন, ভারতকে শক্তিশালী দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে তাঁর কথা মানুষ চিরকাল মনে রাখবেন।

রাজীব গান্ধীর জন্ম ১৯৪৪ সালের ২০ আগস্ট।  রাজীব গান্ধী কংগ্রেসের সভাপতি হন ১৯৮৪ সালে। মা ইন্দিরা গান্ধীর হত্যাকাণ্ডের পর চটজলদি নেতৃত্ব তুলে দেওয়া হয় রাজীব গান্ধীর উপরে। ওই বছরেরই অক্টোবরে তিনি দেশের নবীনতম প্রধানমন্ত্রী পদে বসেন। ১৯৮৯ সালের ২ ডিসেম্বর পর্যন্ত তিনি প্রধানমন্ত্রী পদে ছিলেন।

রাজীব গান্ধীর রাজনৈতিক জীবন খুবই সংক্ষিপ্ত কিন্তু প্রভাবে বিশাল। নবতর ভারতের রূপকার বলা হয় তাঁকে। ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের হাত থেকে স্বাধীনতা ছিনিয়ে আনার পরেও ইন্দিরা জমানা পর্যন্ত ভারতীয়দের রক্তে ঔপনিবেশিকতার প্রতি একটা প্রচ্ছন্ন অনুরক্তি ছিল। ভারত চিরকাল নিজেকে দরিদ্র, পাশ্চাত্যে দেশগুলির অনুকম্পার পাত্র মনে করত নিজেকে। কিন্তু, সেই দৈন্য থেকে দেশের মানুষকে স্বাধীনভাবে, বিজ্ঞান-প্রযুক্তির সাহায্যে এগিয়ে নিয়ে যেতে এবং অর্থনৈতিক স্বাধীনতা অর্জনের দিশা দেখিয়েছিলেন রাজীব।

তিনিই প্রথম ১৯৯১ সালে দলের ইস্তাহারে উদারীকরণের মতো সাহসী শব্দ ব্যবহার করেন, জানালেন কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ। সেদিন রাজীব যা বলেছিলেন, এতদিন পর সে সমস্ত নীতিই পরবর্তীতে গ্রহণ করা হয়েছে। যেমন ১৮ বছর বয়সে ভোটাধিকার, পঞ্চায়েত এবং নগরপালিকার সাংবিধানিক অধিকার, মহিলা সংরক্ষণ, উত্তর-পূর্বের শান্তিচুক্তি, তথ্যপ্রযুক্তি দুনিয়ায় ভারতের প্রবেশ ইত্যাদি।


```