
BJP
শেষ আপডেট: 15 March 2024 16:11
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নির্বাচনী বন্ডের তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর সেই তথ্য জাতীয় নির্বাচন কমিশনকে দিয়েছিল এসবিআই। তারপর কমিশন সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া সময়ের আগেই সেই তথ্য ওয়েবসাইটে আপলোড করে দিয়েছে। তথ্য অনুযায়ী, নির্বাচনী বন্ড থেকে সবচেয়ে বেশি আয় করেছে বিজেপি! দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে বাংলার শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস।
যে তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে তাতে দেখা যাচ্ছে, অর্থ প্রাপকদলের তালিকায় রয়েছে বিজেপি, কংগ্রেস, ডিএমকে, তৃণমূল, শিরোমণি আকালি দলের মতো দলগুলি। তথ্য অনুযায়ী, বন্ড থেকে সবচেয়ে বেশি আয় হয়েছে বিজেপির। বন্ড থেকে রাজনৈতিক দলগুলি মোট যা আয় করেছে তার প্রায় ৪৭ শতাংশ গিয়েছে বিজেপির দখলে। অঙ্কটা প্রায় ৬ হাজার ৬০ কোটি টাকা। এরপরই রয়েছে তৃণমূল, তাঁরা পেয়েছে প্রায় ১ হাজার ৬০৯ (১৩ শতাংশ) কোটি টাকা। কংগ্রেস নির্বাচনী বন্ড থেকে পেয়েছে ১ হাজার ৪২১ কোটি টাকা। চতুর্থ স্থানে রয়েছে বিআরএস, তাঁরা পেয়েছে ১ হাজার ২১৪ কোটি টাকা। পঞ্চম এবং ষষ্ট স্থানে আছে যথাক্রমে বিজেডি এবং ডিএমকে। তাদের প্রাপ্ত টাকার পরিমাণ ৭৭৫ কোটি এবং ৬৩৯ কোটি টাকা।
মোট দু'টি তালিকা প্রকাশ করেছে কমিশন। একটিতে কোন সংস্থা, কবে, কত টাকার বন্ড কিনেছে, তার হিসেব রয়েছে। অন্যটিতে রাজনৈতিক দলগুলি কখন, কত টাকার বন্ড ভাঙিয়েছে, সেই হিসেব রয়েছে। দেশের কোন কোন সংস্থা, নির্বাচন বন্ডের মাধ্যমে কত টাকা করে চাঁদা দিয়েছিল রাজনৈতিক দলগুলিকে, তার তালিকাও আছে। কিন্তু কোন সংস্থা থেকে কোন দলে চাঁদা গিয়েছে, তার পৃথক উল্লেখ নেই এই তথ্যে। এই নিয়ে শুক্রবার ফের শীর্ষ আদালতের কাছে 'ধমক' খেয়েছে এসবিআই কর্তৃপক্ষ। তাদের বিরুদ্ধে নোটিস জারি করেছে সুপ্রিম কোর্ট।
শীর্ষ আদালতের পর্যবেক্ষণ, বন্ড সম্পর্কিত 'ইউনিক অ্যালফা নিউমারিক নম্বর' জানায়নি স্টেট ব্যাঙ্ক। সেই তথ্যও আদালত জানতে চায়। আগামী ১৮ মার্চের মধ্যে এই বিষয়ে তাঁদের জবাব তলব করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট যে 'ইউনিক নম্বর'-এর কথা বলছে, সেই নম্বর দাতা এবং রাজনৈতিক দলের যোগসূত্র করে দিতে ভূমিকা পালন করতে পারে। ফলে সেটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।