
শেষ আপডেট: 7 January 2021 09:56
প্রাচীনকাল থেকেই অনেকের বিশ্বাস, সর্দিকাশির জন্য মোক্ষম দাওয়াই হল মধু। যেকোনও বয়সের মানুষই সারাবছর ধরে খেতে পারেন মধু। তবে একবছরের নীচের শিশুদের খাওয়াতে বারণ করেন ডাক্তাররা। সকালবেলায় খালি পেটে গরম জলে মিশিয়ে, কখনও আবার চায়ের সঙ্গে মিশিয়েও খেতে পারেন মধু।
রসুন
অনেকেই গন্ধের কারণে এড়িয়ে যান রসুন। শরীর সার্বিকভাবে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে এটি। একদিকে যেমন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। তেমনই ব্লাড প্রেসার কমাতেও সাহায্য করে রসুন। এক কোয়া রসুন ছোট ছোট করে কেটে রোস্ট করে নিন। তারপর মধুর সঙ্গে মিশিয়ে রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে খেয়ে নিন। আবার ঘিয়ের সঙ্গে ভেজে খাবারের মধ্যেও মেশাতে পারেন। এতেও কাশি কমবে রাতারাতি।
আদা
কাশির জন্য আদাও ভীষণ উপকারী। তবে অত্যাধিক মাত্রায় খেতে মানা করছেন ডাক্তাররা। আদা মেশানো চা খেতে পারেন। আবার গরম জলে আদা, মধু, গোলমরিচ মিশিয়েও খেতে পারেন। এতে চটজলদি কাশির সমস্যা খেতে মুক্তি পাবেন।
আনারস
কাশির সমস্যা তৎক্ষণাৎ মেটাতে আনারসের ফ্লেভার দেওয়া কাফসিরাপ খেতে পরামর্শ দেন ডাক্তাররা। কাশির সমস্যা মেটাতে বহু মানুষ ভরসা রাখেন আনারসের উপর। কাফসিরাপ খেতে খারাপ লাগে এক দু টুকরো আনারসের টুকরো, কখনও বা ২৫০ এমএল আনারসের জুসও দিনে দু'বার খেতে পারেন। তবে লক্ষ্য রাখবেন ফল বা জুস কোনওটাই যেন ভীষণ ঠান্ডা না থাকে।
হলুদ
শরীর সুস্থ রাখতে রান্নায় অল্প হলুদ মেশাতে বলেন বিশেষজ্ঞরা। শুধু সর্দিকাশি, জ্বরের জন্যেই নয়, এমনকি শরীরের যেকোনও সমস্যা মেটাতে হলুদ মেশানো দুধ খেতে পরামর্শ দিচ্ছেন ডাক্তাররা। রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে খেলে বেশি উপকার পাবেন।
নুনজল গার্গল
কাশির জন্য চটজলদি সমাধান চাইলে নুনজল গার্গল করতে পারেন। দিনে যতবার ইচ্ছে করতে পারেন। এতে খানিকটা আরামও পাওয়া যায়। একটি পাত্রে জল গরম করে নুন মিশিয়ে সেটাই বারবার করে গার্গল করুন।
পেপারমিন্ট চা
পেপারমিন্টের ঔষধিগুণের জন্য অনেকেই বাড়িতে এই গাছ রাখেন এখন। যদি না থাকে, আজকাল বাজারে সচরাচর পাওয়া যায় এই পেপারমিন্ট চা। দিনে অন্তত দু থেকে তিনবার খেতে পারেন এই চা। একদিকে রিফ্রেশ করবে, অন্যদিকে কাশির সমস্যাও মেটাবে।
স্টিম
কাশির সমস্যা মেটাতে স্টিমের পরামর্শ ডাক্তাররা মাঝে মধ্যেই দেন। স্টিম নেওয়ার জন্য আলাদা ওষুধও পাওয়া যায়। তাছাড়া বাড়িতে অল্প নুন মেশাতে গরম জলের স্টিমও নিতে পারেন। দিনে অন্তত দু'বার পাঁচ মিনিট করে স্টিম নিতে বলছেন ডাক্তাররা।
ইউক্যালিপটাস অয়েল
ফুসফুস থেকে মিউকাস বের করতে ভীষণই উপকারী ইউক্যালিপটাস অয়েল। গরম জলে কয়েক ফোঁটা এসেন্সিয়াল অয়েল মিশিয়ে স্টিম নিতে পারেন। তাছাড়াও নারকেল তেল, অলিভ অয়েলের সঙ্গে মিশিয়ে আলতো হাতে বুকে, গলায় ম্যাসাজ করতে পারেন।
লাইকোরাইস চা
গরম জলে লাইকোরাইস পাউডার মিশিয়ে খেতে পারেন। তাছাড়াও লাইকোরাইস চা দিনে অন্তত দু'বার খেতে পারেন। তবে সবসময় খেতে নিষেধ করছেন ডাক্তাররা। কারণ এতে ব্লাড সুগার বেড়ে যেতে পারে। আবার পিরিয়ডের সমস্যাও দেখা দিতে পারে।