শেষ আপডেট: 19 January 2020 05:00
নারকেল তেল: আগে মা-কাকিমারা চুলে নারকেল তেল মাখিয়ে দিতেন। বর্তমান জেনারেশন আবার নারকেল তেল খুব একটা বেশি মাখে না। কিন্তু খুশকির সমস্যা দূর করতে নারকেল তেল সবথেকে বেশি উপকারী। শুধু খুশকি কমানো নয়, স্ক্যাল্প ইনফেকশনের সম্ভাবনাও অনেক কমিয়ে দেয় এই তেল। ফলে চুলের স্বাস্থ্য ভাল হয়। আর নারকেল তেল একটু উষ্ণ করে মাখলে তাতে উপকার আরও অনেক বেশি হয়।
লেবুর রস: খুশকি পড়া দূর করতে লেবুর রস আর এক উপকারী উপাদান। অল্প জলে লেবুর রস মিশিয়ে তা মাথায় মেখে কিছুক্ষণ রেখে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন ধীরে ধীরে খুশকি দূর হয়ে গিয়েছে। আর চুলের স্বাস্থ্যও আগের থেকে অনেক ভাল হয়েছে।
টক দই: খুশকির সমস্যা মেটাতে টক দই খুব উপকারী। স্নান করার আগে মাথায় টক দই মেখে কিছুক্ষণ রাখুন। তারপর ভাল করে ধুয়ে ফেলুন। দেখবেন ধীরে ধীরে খুশকি উধাও। তবে একটা জিনিস মাথায় রাখবেন, ভাল করে চুল ধুয়ে নেবেন। দই যেন থেকে না যায়। নইলে চুল আঁঠা আঁঠা হয়ে যাবে।
পেঁয়াজের রস: পেঁয়াজ বেটে সেই রস মাথায় লাগালে তা খুশকির পক্ষে খুবই উপকারী। এই রস মাথায় লাগিয়ে কিছুক্ষণ রাখবেন। তারপর ধুয়ে ফেলবেন। ধোয়ার সময় উষ্ণ গরম জল দিয়ে ধুলে ভাল। কারণ তাতে পেঁয়াজের ঝাঁঝালো গন্ধটা চলে যায়।
মেথির রস: সারারাত জলে ভিজিয়ে রেখে সকালে সেই মেথি বেটে তা মাথায় লাগাবেন। তারপর ঘণ্টা খানেক রেখে চুল ধুয়ে নিন। দেখবেন ধীরে ধীরে খুশকি কমে যাচ্ছে।
এই প্রতিটি উপাধানই চুলের পক্ষে খুবই উপকারী। শুধু খুশকির জন্য নয়, চুলের স্বাস্থ্যের জন্যই এই উপাদানগুলি খুবই উপকারী। তবে যে উপাদানই ব্যবহার করবেন, সপ্তাহে দুই থেকে তিনদিন তা ব্যবহার করতে হবে। উপকার নিজের চোখেই দেখতে পাবেন।