Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
জিৎ-প্রযোজক দ্বন্দ্বে আটকে মুক্তি! ‘কেউ বলে বিপ্লবী, কেউ বলে ডাকাত’-এর মুক্তি বিশ বাঁও জলে!কিউআর কোড ছড়িয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ! কীভাবে রাতারাতি নয়ডার বিক্ষোভের প্ল্যানিং হল, কারা দিল উস্কানি?নয়ডা বিক্ষোভ সামাল দিতে 'মাস্টারস্ট্রোক' যোগী সরকারের! শ্রমিকদের বেতন বাড়ল ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত Jeet: ভুয়ো প্রচার! ভোট আবহে গায়ে রাজনীতির রঙ লাগতেই সরব জিৎ৪ হাজার থেকে নিমেষে ১ লক্ষ ৮৫ হাজার ফলোয়ার! এক স্পেলেই সোশ্যাল মিডিয়ার নতুন তারকা প্রফুল্লসামনে কাজল শেখ, মমতা কথা শুরু করতেই হাত নেড়ে বিরক্তি প্রকাশ অনুব্রতর! সিউড়িতে কী ঘটলEPL: নায়ক ওকাফর! ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ৪৫ বছরের অভিশাপ মুছল লিডস, রক্ষণের ভুলে ডুবল ম্যান ইউAsha Bhosle: 'এত ভালবাসার সবটাই তোমার...,' ঠাকুমার স্মৃতি আঁকড়ে আবেগঘন পোস্ট নাতনি জানাইয়েরSupreme Court DA: ডিএ নিয়ে সময়সীমা বৃদ্ধির আর্জি, বুধবার রাজ্যের মামলা শুনবে সুপ্রিম কোর্টনির্বাচকদের শর্টলিস্টে বৈভব! আয়ারল্যান্ড সফরে যাওয়ার জোর সম্ভাবনা, ভাঙতে পারেন সচিনের রেকর্ড

স্মৃতির পাতা খালি হচ্ছে না তো! ডিমেনশিয়ার ছোট ছোট লক্ষণ ধরা পড়ে চোখেই

২০৫০ সালের মধ্যে ষাট বা ষাটোর্ধ্ব ১৯  শতাংশ ভারতীয় ডিমেনশিয়ার মতো মানসিক রোগের শিকার হবেন।

স্মৃতির পাতা খালি হচ্ছে না তো! ডিমেনশিয়ার ছোট ছোট লক্ষণ ধরা পড়ে চোখেই

শেষ আপডেট: 28 March 2024 15:26

দ্য ওয়াল ব্যুরো: স্মৃতির পাতা ধীরে ধীরে খালি হতে শুরু করেছে (Dementia)। উবে যাচ্ছে ছোট ছোট ভাবনাগুলোও। অফিসের প্রজেক্টের ডেডলাইন থেকে ছেলেময়ের স্কুলের ফি জমা দেওয়ার তারিখ, ডেবিট কার্ডের পাসওয়ার্ড থেকে ঘরের টুকিটাকি, সবই কেমন তালগোল পাকিয়ে যাচ্ছে আজকাল। চেষ্টা করেও বন্ধুর নাম মনে রাখতে পারছেন না, ধীরে ধীরে নিজের নাম, বাড়ির ঠিকানাও স্মৃতির পাতা থেকে উবে গেল। স্মৃতিনাশ বা ডিমেনশিয়া এখনকার দিনে সাঁড়াশি আক্রমণ করেছে নবীন থেকে প্রবীণদের। দৈনন্দিন জীবনের অত্যধিক মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা, তার উপর অসংযমী জীবনযাত্রা, স্মৃতিনাশের মতো ভয়ঙ্কর মানসিক রোগকে আমন্ত্রণ করে আনছে।

'নেচার পাবলিক হেলথ এমার্জেন্সি কালেকশন' মেডিক্যাল জার্নালে একটি প্রতিবেদন ছাপা হয়েছে সম্প্রতি। সেখানে লেখা হয়েছে, ২০৫০ সালের মধ্যে ষাট বা ষাটোর্ধ্ব ১৯  শতাংশ ভারতীয় ডিমেনশিয়ার মতো মানসিক রোগের শিকার হবেন।

চিকিৎসকরা বলছেন, ডিমেনশিয়া হঠাৎ করে হানা দেয় না। দীর্ঘ সময় ধরে এর উপসর্গগুলো ধীরে ধীরে ফুটে উঠতে থাকে। স্মৃতিনাশ হচ্ছে কিনা তার কয়েকটি লক্ষণ ফুটে ওঠে চোখেই। সেগুলো কী তা বুঝতে পারলে অনেক আগেই রোগীর চিকিৎসা শুরু করা সম্ভব। ডাক্তারি ভাষায় একে বলে Dementia Eyes

কী কী লক্ষণ দেখা দিতে থাকে--

লিখতে বা পড়তে সমস্যা

দৃষ্টি ক্ষীণ হতে থাকে। কোনও লেখা পড়ে বুঝতে এবং লিখতে সমস্যা শুরু হয়। দেখবেন, রোগী ঠিকমতো পড়তেই পারছে না। অথবা কোনও কিছু লিখতে গেলে সমস্যা হচ্ছে। অক্ষর, শব্দ, বাক্য তৈরি করতে পারছে না। নম্বর বুঝতে সমস্যা হচ্ছে। পর পর বাক্য লিখতে গেলেই সব তালগোল পাকিয়ে ফেলছে। যা লিখছে তার মানে দাঁড়াচ্ছে না। কোনও কিছু ভাষায় প্রকাশ করতে গেলেও সমস্যা হচ্ছে। গুছিয়ে কথা বলতে পারছে না।

রঙই চিনতে পারবে না রোগী

শূন্য দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকবেন রোগী। রঙ চিনতে বা দূরত্ব বুঝতে সমস্যা হবে তাঁর (Dementia)। দৃষ্টিও ক্ষীণ হতে শুরু করবে। যা দেখবে তার প্রভাব পড়বে না ব্রেনে। অর্থাৎ রোগী কোথায় আছেন, তাঁকে কতদূরে কোথায় যেতে হবে তা বুঝতে অসুবিধা হবে।

হ্যালুসিনেশন

ডিলিউশন বা মনগড়া অলীক বিশ্বাস ও হ্যালুসিনেশন বা এমন কিছু দেখা যার বাস্তবে কোনও অস্তিত্বই নেই--এই দুই উপসর্গই দেখা দিতে থাকবে। মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১০০ জন মনোরোগীর ১-২ শতাংশ এই রোগের শিকার। কিন্তু মুশকিল হল রোগটি নিয়ে স্বচ্ছ ধারণা নেই অধিকাংশ মানুষের। বস্তুত ডিমেনশিয়ার একদম গোড়ায় এই উপসর্গ দেখা দিতে থাকে। হ্যালুসিনেশন হল কাল্পনিক কিছু দেখা বা শোনা।  অডিটরি হ্যালুসিনেশন হলে, রোগীর মনে হবে বাইরে থেকে কোনও শব্দ বা কণ্ঠস্বর ভেসে আসছে যেগুলির কোনও বাহ্যিক উৎস নেই। এরও নানা রকম প্রকাশ হতে পারে। মনে হতে পারে, এক বা একাধিক মানুষ তাঁকে নিয়ে সারা ক্ষণ কথা বলছে বা সমালোচনা করে চলেছে। বাইরে থেকে কেউ উত্যক্ত করছে, বা কেউ এমন আছে যে সারাক্ষণ তার সঙ্গে কথা বলছে।

মনে থাকবে না কিচ্ছুটি

রোগী যা দেখবে তা মনে রাখতে পারবে না। কিছুক্ষণ আগে কোথায় ছিল, কার সঙ্গে দেখা হয়েছে, কী কথা হয়েছে ইত্যাদি মনে করতে পারবে না। জায়গার নাম ভুলে যাবে, এমনকী পরিচিতের নামও মনে থাকবে না। কিছুক্ষণ আগের ঘটনাও স্মৃতি থেকে বেমালুম উবে যাবে।


```