Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
কিউআর কোড ছড়িয়ে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ! কীভাবে রাতারাতি নয়ডার বিক্ষোভের প্ল্যানিং হল, কারা দিল উস্কানি?নয়ডা বিক্ষোভ সামাল দিতে 'মাস্টারস্ট্রোক' যোগী সরকারের! শ্রমিকদের বেতন বাড়ল ৩ হাজার টাকা পর্যন্ত Jeet: ভুয়ো প্রচার! ভোট আবহে গায়ে রাজনীতির রঙ লাগতেই সরব জিৎ৪ হাজার থেকে নিমেষে ১ লক্ষ ৮৫ হাজার ফলোয়ার! এক স্পেলেই সোশ্যাল মিডিয়ার নতুন তারকা প্রফুল্লসামনে কাজল শেখ, মমতা কথা শুরু করতেই হাত নেড়ে বিরক্তি প্রকাশ অনুব্রতর! সিউড়িতে কী ঘটলEPL: নায়ক ওকাফর! ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে ৪৫ বছরের অভিশাপ মুছল লিডস, রক্ষণের ভুলে ডুবল ম্যান ইউAsha Bhosle: 'এত ভালবাসার সবটাই তোমার...,' ঠাকুমার স্মৃতি আঁকড়ে আবেগঘন পোস্ট নাতনি জানাইয়েরSupreme Court DA: ডিএ নিয়ে সময়সীমা বৃদ্ধির আর্জি, বুধবার রাজ্যের মামলা শুনবে সুপ্রিম কোর্টনির্বাচকদের শর্টলিস্টে বৈভব! আয়ারল্যান্ড সফরে যাওয়ার জোর সম্ভাবনা, ভাঙতে পারেন সচিনের রেকর্ডIPL 2026: ‘কাছের অনেককে বলেছিলাম, বৈভবকে প্রথম বলে আউট করব!’ কথা দিয়ে কথা রাখলেন প্রফুল্ল

বাতাসের দূষিত কণা মনকেও ঝাঁঝরা করে! অ্যারোসল দূষিত মেট্রো শহরগুলিতে বাড়ছে অবসাদ-স্মৃতিনাশ

বিশ্বজুড়ে বাতাসে কার্বন-ডাই-অক্সাইডের মাত্রা বেড়েছে ৫০ শতাংশ। গত ২০০ বছরে যেখানে বাতাসে বিষাক্ত কার্বনের মাত্রা বেড়েছিল মাত্র ২৫ শতাংশ।

বাতাসের দূষিত কণা মনকেও ঝাঁঝরা করে! অ্যারোসল দূষিত মেট্রো শহরগুলিতে বাড়ছে অবসাদ-স্মৃতিনাশ

শেষ আপডেট: 8 March 2024 18:23

দ্য ওয়াল ব্যুরো: দেশজুড়েই দূষণের (Air Pollution) পাল্লা ভারী। মেট্রো শহরগুলিতে তো কথাই নেই। দূষণের তালিকায় এগিয়ে আছে দিল্লি, মুম্বই, কলকাতা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (হু) সাম্প্রতিকতম রিপোর্ট বলছে, বাতাসে ভাসমান সূক্ষ্ম কণার (পার্টিকুলেট ম্যাটার বা পিএম ২.৫) মাত্রা হু-র নির্ধারিত মাত্রার চেয়ে প্রায় ১৭ গুণ বেশি। বিষ-বাষ্প যেমন ফুসফুস সহ সারা শরীরের ক্ষতি করছে, তেমনই বায়ু দূষণ থেকে বাড়ছে মানসিক ব্যধিও (Mental Health), এমনটাই দাবি নতুন গবেষণায়।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, বিশ্বজুড়ে বাতাসে কার্বন-ডাই-অক্সাইডের মাত্রা বেড়েছে ৫০ শতাংশ। গত ২০০ বছরে যেখানে বাতাসে বিষাক্ত কার্বনের মাত্রা বেড়েছিল মাত্র ২৫ শতাংশ, সেখানে মাত্র ৩০ বছরেই বিষাক্ত বাষ্পের মাত্রা দ্বিগুণ হয়েছে। এর অন্যতম প্রধান কারণই হল, মানুষের তৈরি দূষণ। কলকারখানা ধোঁয়া, গ্রিন হাউস গ্যাসের বাড়বাড়ন্ত। প্লাস্টিক দূষণের কারণে পরিবেশে রাসায়নিকের মাত্রাও বাড়ছে। মাইক্রোপ্লাস্টিক থেকে বিষাক্ত কণা মিশছে মাটি, জলে। বিদ্যুৎকেন্দ্র, গাড়ি, ট্রাক, অগ্নিকাণ্ড, ফসল পোড়ানো ও কারখানার চিমনি থেকে এই দূষণ-কণাগুলি বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে। পরে বাতাসের ধূলিকণাকে আশ্রয় করে বিষ-বাস্প তৈরি করে।

এইসব বিষাক্ত রাসায়নিক শরীরে ঢুকে স্নায়ুতন্ত্রের ওপর প্রভাব ফেলছে। বাতাসের নাইট্রিক অক্সাইড মানুষের শরীরে ঢুকে রক্তবাহিকাগুলোর ক্ষতি করছে। রক্তনালীতে দূষিত কণা দীর্ঘদিন ধরে জমা হতে হতে রক্তনালীর পথ বন্ধ করছে। ফলে রক্ত সঞ্চালন বাধা পেয়ে হার্টের নানা অসুখ দেখা দিচ্ছে।

যানবাহনের ধোঁয়া, ধুলো, কাঠকয়লার আগুন, বিষাক্ত গ্যাসের মধ্যে থাকা রাসায়নিক ফুসফুসের বারোটা বাজিয়ে দেয়। অনেকে বাড়িতে মশা মারার কয়েল জ্বালান। এর থেকেও বের হয় কার্বন-মনোক্সাইড। টানা ৬-৭ ঘণ্টা এই ধোঁয়া ফুসফুসে ঢুকলে যে কোনও জটিল রোগের সম্ভাবনাই বাড়িয়ে তোলে। তাছাড়া, আবর্জনা পোড়ার ধোঁয়া, খড় পোড়া ধোঁয়া ইত্যাদিও মারাত্মক ক্ষতিকর।

২০১৯ সালেও এই সংক্রান্ত একটি গবেষণা হয়েছিল। বিজ্ঞানীরা দেখিয়েছিলে কীভাবে বায়ু দূষণের ক্ষতিকর প্রভাব পড়ছে মানুষের মানসিক স্বাস্থ্যেও। গবেষকরা বলছেন, বাড়তে থাকা দূষণ স্কিৎজোফ্রেনিয়া, অবসাদ বা ডিপ্রেশন, স্মৃতিনাশ বা ডিমেনশিয়ার কারণ হয়ে উঠছে। কারণ বাতাসে ভাসমান বিষাক্ত কণা কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে। শিশুর মানসিক বৃদ্ধিও থমকে যাচ্ছে দূষণের কারণেই। বিশেষ করে সদ্যোজাতরা যদি দূষিত আবহাওয়ায় বেশি সময়ে কাটায়, তাদের উপর প্রভাব বেশি পড়ে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, বায়ুদূষণ যত বাড়বে, ততই কমবে মস্তিষ্কের বৃদ্ধি। তাই দূষণের মাত্রা কমাতে না পারলে আগামী দিনে আরও ভয়ঙ্কর জটিল মানসিক ও শারীরিক ব্যধির মুখোমুখি হতে হবে মানবসভ্যতাকে।


```