
শেষ আপডেট: 26 December 2020 08:18
ওমেগা ৩, ফ্যাটি অ্যাসিডের অন্যতম স্টোর হাউস হল চিয়া বীজ। প্রতিদিন এই বীজ খেলে শরীরের ভেতরের সমস্যাগুলো ধীরে ধীরে ঠিক হয়ে যায়। শরীরের হাইড্রেশন ক্ষমতা বাড়ায়, ত্বককে উজ্জ্বল করে ও কোমল করে। ত্বকে হওয়া যে কোনও চুলকানি, চর্মরোগের বিরুদ্ধেও লড়তে সহায়তা করে। এছাড়াও মুখে বয়সের ছাপ পড়তে দেয় না। অ্যান্টি-এজিংয়ের হিসেবে চিয়া সিডের দ্বিতীয় কোনও জুরি নেই।
তিসি বীজ
হরমোনাল ডিসঅর্ডারকে নিয়ন্ত্রণ করে তিসি। ব্রণর হাত থেকে রেহাই পেতে চাইলে খেতে পারেন তিসির বীজ। এর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টি ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্য যা ত্বককে রুক্ষ হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করে। ভেষজ এই বীজ বিপাকে সহায়তা করে, হজমশক্তিকে বাড়িয়ে তোলে। ফলে চুলের গ্রোথও অনেকটা বেড়ে যায়। চুল পড়া কমে, ও চুল নরম হয়।
সূর্যমুখী বীজ
দস্তা, ভিটামিন এ, বি১, আর ই এবং প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম থাকা সত্ত্বেও দুর্ভাগ্য যে সূর্যমুখীর বীজকে তেমনভাবে ব্যবহার করা হয় না! এর মধ্যে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট যা ত্বকের ডার্ক সার্কেলগুলোকে সারাতে সাহায্য করে। এছাড়াও পিগমেন্ট, বলিরেখা, বয়সের ছাপ পড়ার হাত থেকেও ত্বককে রেহাই দেয়। পেটকে পরিষ্কার রাখে বলে চুলের ওঠার সমস্যাও অনেক কমে যায়।