বিশ্বমঞ্চের বিশেষ নজর এই সামিটের ওপর রয়েছে। কারণ মনে করা হচ্ছে, মার্কিন প্রশাসনের শুল্কনীতির বিরোধিতা করে কোনও বার্তা দিতে পারেন নেতারা।

ফাইল ছবি
শেষ আপডেট: 26 August 2025 19:32
দ্য ওয়াল ব্যুরো: অগস্টের শেষ সপ্তাহে চিনের (China) তিয়ানজিনে হতে চলেছে সাংহাই কো-অপারেশন অর্গানাইজেশনের (SCO) বার্ষিক বৈঠক। ৩১ অগস্ট থেকে ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলা এই শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi), রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির (Vladimir Putin) পুতিন-সহ মধ্য এশিয়া, দক্ষিণ এশিয়া, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক নেতা।
বিশ্বমঞ্চের বিশেষ নজর এই সামিটের ওপর রয়েছে। কারণ মনে করা হচ্ছে, মার্কিন প্রশাসনের শুল্কনীতির (US Tariff) বিরোধিতা করে কোনও বার্তা দিতে পারেন নেতারা।
বিশেষজ্ঞদের অনুমান, চিনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং (Xi Jinping) এই বৈঠকের মাধ্যমে কেবল আঞ্চলিক ঐক্যের বার্তা নয়, বরং বিশ্ব রাজনীতিতে মার্কিন প্রভাবের সামনে এক নতুন শক্তির সমীকরণ তুলে ধরতে চান। এও মনে করা হচ্ছে, এসসিও-র বিস্তার যেমন আলোচনার কেন্দ্রে থাকবে, তেমনই এই সম্মেলন শি জিনপিংয়ের কূটনৈতিক কৌশলের বড় প্রদর্শনও বটে।
সে দেশের সংবাদমাধ্যম দাবি করছে, শি এই সম্মেলনকে ব্যবহার করবেন এটা দেখানোর জন্য যে, মার্কিন নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার পরবর্তী রূপ কী হতে পারে। ওয়াশিংটন এতদিন ধরে চিন, ইরান, রাশিয়া এমনকী ভারতকেও যে ভাবে চাপে রাখতে চাইছে, তার হয়তো প্রত্যুত্তর হতে পারে এই সম্মেলন।
ভারত সহ একাধিক দেশে অতিরিক্ত শুল্ক চাপানোর সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প মন্তব্য করেছিলেন - ব্রিকস গোষ্ঠীতে যারা রয়েছে তারা আদতে আমেরিকা বিরোধী। এতএব বলা যায়, সরাসরি ভারত-চিন-রাশিয়াকেই নিশানা করেছিলেন তিনি। সেই প্রেক্ষিতে বলা যায়, এসসিও সামিট 'আমেরিকা বিরোধী'দের শক্তি বৃদ্ধির মঞ্চ হতে চলেছে।
কূটনৈতিক মহলের অনুমান, এসসিও, ব্রিকস কিংবা দ্বিপাক্ষিক আলোচনার পথ ধরেই এগোতে চাইছে এই দেশগুলি।