বিচার বিভাগ বলেছেন, ট্রাম্পের যে ছবি জেফ্রি এপস্টাইন মামলায় উঠে এসেছে, তাতে নিউইয়র্কের দক্ষিণ জেলা তরফে আপত্তি উঠেছিল।

একটি ছবিতে দেখা গিয়েছে, রিপাবলিকান নেতা ট্রাম্প তাঁর স্ত্রী মেলানিয়া, এপস্টাইন এবং তাঁর বর্তমানে দোষী সাব্যস্ত বান্ধবী ঘিসলেইন ম্যাক্সওয়েল ক্যামেরার সামনে পোজ দিয়েছেন।
শেষ আপডেট: 22 December 2025 12:18
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আমেরিকার বিচার বিভাগ রবিবার এপস্টাইন ফাইলসে (Epstein Files) ফের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ছবি ফিরিয়ে এনেছে। তাদের বক্তব্য, বিস্তারিত পর্যালোচনার জন্য সাময়িক তাঁর ছবি সরানো হয়েছে বলে যুক্তি দেখিয়েছে তারা। এক বিবৃতিতে বিচার বিভাগ বলেছেন, ট্রাম্পের যে ছবি জেফ্রি এপস্টাইন মামলায় উঠে এসেছে, তাতে নিউইয়র্কের দক্ষিণ জেলা তরফে আপত্তি উঠেছিল। উল্লেখ্য, এই মামলায় গ্র্যান্ড জুরির পর্যালোচনায় বহু বিশিষ্ট গণমান্যদের নাম ও ছবি প্রকাশ হয়েছে। যা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে ব্যাপক চর্চা চলছে।
বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ওই ছবিতে দেখা গিয়েছে, একটি ডেস্কের খোলা ড্রয়ারে ছবি রয়েছে। যেখানে ট্রাম্পকে বেশকিছু মেয়ে-মহিলার সঙ্গে অন্তরঙ্গ ভঙ্গিতে পোজ দিতে দেখা গিয়েছে। সাময়িক কারণে ওই ছবি সরানো হলেও মূল ফাইলসে কোনও বিকৃতি ও পরিবর্তন না করে ফের পুরোটাই প্রকাশ করা হচ্ছে। পর্যালোচনা পর নিশ্চিত হওয়া গিয়েছে যে, এপস্টাইনের হাতে নির্যাতিতা বা শিকার হওয়া নারীদের বোঝা যাচ্ছে না। তাই আবার করে এটি সাইটে আনা হয়েছে।
আরও একটি ছবিতে দেখা গিয়েছে, রিপাবলিকান নেতা ট্রাম্প তাঁর স্ত্রী মেলানিয়া, এপস্টাইন এবং তাঁর বর্তমানে দোষী সাব্যস্ত বান্ধবী ঘিসলেইন ম্যাক্সওয়েল ক্যামেরার সামনে পোজ দিয়েছেন। অন্য ছবিগুলির মধ্যে রয়েছে বিল ক্লিনটন এবং দ্বিতীয় পোপ জন পলের সঙ্গেও।
এই ছবি সরানো নিয়ে বিরোধী দল ডেমোক্র্যাটরা ট্রাম্পের বিরুদ্ধে খড়্গহস্ত হয়েছিলেন। ডেমোক্র্যাটিক কংগ্রেস সদস্য জেমি রাসকিন রবিবার এক সাক্ষাৎকারে বলেন, যে কারণেই হোক, এটা পুরোপুরি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প চান না কাঠগড়ায় দাঁড়াতে। তা সে নিজের হোক বা তাঁর পরিবারের অন্য সদস্যের কারও বিরুদ্ধে হোক। শুধু বিরোধী দল নয়। ট্রাম্পের নিজের দলের কংগ্রেস সদস্য টমাস ম্যাসিও দীর্ঘদিন ধরে এপস্টাইন ফাইলসের পূর্ণাঙ্গ প্রকাশের দাবি তুলে আসছেন। তিনিও ডেমোক্র্যাটদের দাবির সঙ্গে সুর চড়িয়েছেন। তিনি বলেছেন, ওরা আইনের মর্মার্থকে উপেক্ষা করছে। ওরা যেভাবে চলছে তা অত্যন্ত বিপজ্জনক। নির্যাতিতারা যতক্ষণ না বিচার পাবেন, ততক্ষণ আমারও স্বস্তি নেই।