এইসঙ্গে গাজায় শান্তি ফেরানোর জন্য মরিয়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করেছেন, হামাস এবং একাধিক দেশের সঙ্গে তাঁর ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই আহ্বান জানান।
শেষ আপডেট: 6 October 2025 09:56
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দ্রুত সিদ্ধান্ত। অথবা রক্তগঙ্গা বইবে। প্যালেস্তাইনের হামাস গোষ্ঠী ও ইজরায়েলের মধ্যে শান্তিচুক্তি নিয়ে বৈঠকের কয়েক ঘণ্টা আগে এই ভাষাতেই হুঁশিয়ারি দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ট্রাম্প সোমবার বলেন, দ্রুত সিদ্ধান্ত না নিলে রক্তগঙ্গা বইবে, যা কেউ চায় না। এইসঙ্গে গাজায় শান্তি ফেরানোর জন্য মরিয়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করেছেন, হামাস এবং একাধিক দেশের সঙ্গে তাঁর ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। এর ফলে গাজা উপসাগরীয় এলাকায় রক্তক্ষয় বন্ধ হবে বলে মনে করছেন তিনি।
সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই আহ্বান জানান। ট্রাম্পের দাবি, প্যালেস্তাইনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাসের সঙ্গে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, বন্দিমুক্তি ও গাজায় যুদ্ধ বন্ধে হামাসসহ সারা বিশ্বের বিভিন্ন (আরব, মুসলিম এবং অন্যান্য) দেশের সঙ্গে অত্যন্ত ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। তবে আরও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, অবশেষে এই এলাকায় বহুদিন ধরে প্রত্যাশিত শান্তি প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।
ট্রাম্প আরও লিখেছেন, এসব আলোচনা খুবই সফলভাবে ও দ্রুত এগচ্ছে। চূড়ান্ত বিষয়গুলো নির্ধারণের জন্য দুই পক্ষ সোমবার আবার মিশরে মিলিত হবে। আমাকে বলা হয়েছে, প্রথম ধাপের আলোচনা এই সপ্তাহেই শেষ হবে। আমি সবাইকে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।
নোবেল শান্তি পুরস্কার মুঠোয় পুরতে মরিয়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই লক্ষ্যে তাঁর তৈরি একতরফা শান্তিচুক্তিতে নিমরাজি হয়েছে প্যালেস্তিনীয় হামাস গোষ্ঠী। কারণ, রবিবারের মধ্যে এই শান্তিচুক্তি মেনে না নিলে হামাসের জন্য নরকের দরজা খুলে দিয়ে কবর খোঁড়ার শর্ত আরোপ করেছিলেন ট্রাম্প। ট্রাম্পের নিজের প্রচার মাধ্যম ও ইজরায়েলি সংবাদ মাধ্যমে ট্রাম্পের এই পদক্ষেপের প্রভূত প্রশংসা চলতে থাকলেও হামাস গোষ্ঠী ২০ দফা শান্তিচুক্তির সমস্ত শর্ত মেনে নেয়নি।
ট্রাম্পের ফন্দির বেশ কিছু অংশ মেনে নিয়েছে প্যালেস্তিনীয় জঙ্গি দল। যার মধ্যে প্রথমটি হচ্ছে, ইজরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ বন্ধ করে অস্ত্র সংবরণ করা। কিন্তু, হামাসের বিবৃতিতে পরিষ্কার মতানৈক্য প্রকাশ করা হয়েছে, প্যালেস্তাইন ও গাজা ভূখণ্ডের ভবিষ্যৎ নিয়ে ট্রাম্পের প্রকৃত মতলব।